বৈঠক শেষে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও চট্রগ্রামে ১৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঝুকিপূর্ণ পোশাক কারখানাগুলো চিহ্নিত করা, অগ্নিণির্বাপন এবং কারখানাগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা তদারকির জন্য দুজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট দুটি টাস্ক ফোর্সও গঠন করা হয়েছে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) তার নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি দেশের স্বনামধন্য কিছু পোশাক কারখানা পরিদর্শন করেছেন। সেখানেও অনেক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
সেগুলোতে বিল্ডিংকোড মানা হলেও সেখানকার অগ্নিণির্বাপন ব্যবস্থা ভালো ছিল না। মানা হয়নি আইএলও’র নিয়মও। আসলে দেশের পোশাক শিল্প যেসব ভবনে করা হয়েছে সেগুলো কোনোটিই বিল্ডিংকোড পূর্ণাঙ্গভাবে পরিপালন করা হয়নি।
দেশের প্রায় ৪ হাজার পোশাক কারখানা পরিদর্শনের জন্য অনেকগুলো কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে। তারা পোশাক কারখানা ও কারখানার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় পরিদর্শন করে এ কমিটির কাছে প্রতিবেদন দেবে।
তিনি আরো বলেন, পোশাক কারখানায় যত দুর্ঘটনা ঘটেছে তা অতিলোভের কারনেই ঘটেছে।
তিনি আরো বলেন, বন্ধ করে দেয়া পোশাক শিল্প মালিকদের তাদের কারখানা ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়েরও পোশাক শ্রমিকদের বেতন দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশের পোশাক শিল্পের মধ্যে কোনটা কী অবস্থায় রয়েছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানানোর জন্য বিজিএমইএকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিজিএমইএ’র ভবনের বিষয়েও উচ্চ আদালতের মামলাটি শেষ হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জনানো হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, শিল্পমন্ত্রী দীলিপ বড়ুয়া, দুর্যোগ ত্রাণ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।




0 comments:
Post a Comment