আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
জামায়াত নিষিদ্ধের প্রশ্নে বলেছেন, এই মুহূর্তে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের
পরিকল্পনা নেই সরকারের।
এর প্রতিক্রিয়ায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির ডয়চে ভেলে-কে বলেছেন, সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ না করলে তাদের অপকর্মের দায়ও নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পর শনিবার প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে সরকারের আপাতত কোনো পরিকল্পনার কথা নাকচ করে দেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, জামায়াত যদি নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করে আদালত এবং নির্বাচন কমিশনকে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে তাহলে হয়তো তারা নিবন্ধনও ফিরে পেতে পারে।
তার এই কথার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির। তিনি ডয়চে ভেলে-কে বলেন, জামায়াত একটি সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধী সংগঠন।
ট্রাইব্যুনাল এবং হাইকোর্টের রায়ে বার বার একথা বলা হয়েছে। আর সরকারকে জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ৫ মে ঢাকা অবরোধ এবং মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশের নামে হেফাজত এবং জামায়াত ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর জামায়াত সারাদেশে অভাবনীয় সহিংসতা চালিয়েছে। আর ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জামায়াত- হেফাজতকে আর কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এরপরও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের জামায়াতের প্রতি সহানুভূতি বিস্ময়কর।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন জামায়াতের বিন্ধন বাতিল করতে পারে। কিন্তু নিষিদ্ধ করতে হবে সরকারকে নির্বাহী আদেশে। আর সরকার যদি তা না করে তাহলে জামায়াতের সহিংসতা, সন্ত্রাসের দায় তাদেরই নিতে হবে।
শাহরিয়ার কবির বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতাদের বিচার শুরু হওয়ার পর জামায়াত এই বিচার বন্ধে এবং নিজেদের রক্ষায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। এজন্য তারা টাকা দিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলতে দেশে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে। তারা অর্থ ঢেলেছে সংবাদ মাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে। আওয়ামী লীগ বা সরকার এর বাইরে নেই। তাই প্রশাসনে যেমন তাদের পক্ষে কাজ করার লোক আছে তেমনি আওয়ামী লীগেও জামায়াতের লোক আছে। তার প্রতিফলন মাঝে মধ্যেই দেখা যায়।
দেশের বর্তমান অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ জামায়াতকে নিয়ে যে সহানুভূতিপূর্ণ কথা বলেছেন তা খুবই হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন শাহরিয়ার কবির।
তিনি বলেন, জামায়াত নিষিদ্ধ হলে ভোটের হিসেবে কার লাভ-ক্ষতি হবে তা বিবেচনা করলে চলবে না। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে। তিনি বলেন, যে দলটি দেশের সংবিধান মানে না, মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে না, সেই দলটির রাজনীতি করার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।
এর প্রতিক্রিয়ায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির ডয়চে ভেলে-কে বলেছেন, সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ না করলে তাদের অপকর্মের দায়ও নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পর শনিবার প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে সরকারের আপাতত কোনো পরিকল্পনার কথা নাকচ করে দেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, জামায়াত যদি নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করে আদালত এবং নির্বাচন কমিশনকে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে তাহলে হয়তো তারা নিবন্ধনও ফিরে পেতে পারে।
তার এই কথার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির। তিনি ডয়চে ভেলে-কে বলেন, জামায়াত একটি সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধী সংগঠন।
ট্রাইব্যুনাল এবং হাইকোর্টের রায়ে বার বার একথা বলা হয়েছে। আর সরকারকে জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ৫ মে ঢাকা অবরোধ এবং মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশের নামে হেফাজত এবং জামায়াত ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর জামায়াত সারাদেশে অভাবনীয় সহিংসতা চালিয়েছে। আর ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জামায়াত- হেফাজতকে আর কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এরপরও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের জামায়াতের প্রতি সহানুভূতি বিস্ময়কর।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন জামায়াতের বিন্ধন বাতিল করতে পারে। কিন্তু নিষিদ্ধ করতে হবে সরকারকে নির্বাহী আদেশে। আর সরকার যদি তা না করে তাহলে জামায়াতের সহিংসতা, সন্ত্রাসের দায় তাদেরই নিতে হবে।
শাহরিয়ার কবির বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতাদের বিচার শুরু হওয়ার পর জামায়াত এই বিচার বন্ধে এবং নিজেদের রক্ষায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। এজন্য তারা টাকা দিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলতে দেশে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে। তারা অর্থ ঢেলেছে সংবাদ মাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে। আওয়ামী লীগ বা সরকার এর বাইরে নেই। তাই প্রশাসনে যেমন তাদের পক্ষে কাজ করার লোক আছে তেমনি আওয়ামী লীগেও জামায়াতের লোক আছে। তার প্রতিফলন মাঝে মধ্যেই দেখা যায়।
দেশের বর্তমান অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ জামায়াতকে নিয়ে যে সহানুভূতিপূর্ণ কথা বলেছেন তা খুবই হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন শাহরিয়ার কবির।
তিনি বলেন, জামায়াত নিষিদ্ধ হলে ভোটের হিসেবে কার লাভ-ক্ষতি হবে তা বিবেচনা করলে চলবে না। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে। তিনি বলেন, যে দলটি দেশের সংবিধান মানে না, মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে না, সেই দলটির রাজনীতি করার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।





0 comments:
Post a Comment