মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের অনড়
অবস্থানের মধ্যেই আমেরিকা আর ইউরোপের সিনিয়র কূটনীতিকরা দেশটির সেনা
সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা
শুরু করেছেন।
তারা এই সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তবে মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড বলেছে, মুরসি ও বাতিল ঘোষিত সংসদকে পুনবর্হাল করা হলে তারা রাজনৈতিক সংকট সমাধানের উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে, সেনা সমর্থিত সরকারের হুমকি উপেক্ষা করেই লাখ লাখ মুরসি সমর্থক কায়রোয় অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। তারা আরো বড় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস শনিবার মুসলিম ব্রাদারহুডের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরপরই মিশরের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমির সাথেও বৈঠক করেছেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ দূত বার্নাদিনো লিও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
ওই বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও মিশরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে এই আলোচনা সেখানে সংঘাত বন্ধে সহায়তা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমি বলেছেন, পরিস্থিতি গুরুতর না হলে তারা বিক্ষোভকারীদের উপর শক্তি প্রয়োগ করবেন না।
ফাহমি বলছেন, সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সব সময়েই যোগাযোগ রয়েছে। এটা এখন সবাই বুঝতে পারছে যে ঠিক কি করতে হবে আর মিশরের সবাই তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইছে। কারণ এই নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘ সময় চলতে পারে না।
ব্রাদারহুডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক বৈধতাকে স্বীকার এবং সেনা অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করা হলে তারা সংলাপকে স্বাগত জানায়।
বিবৃতিতে মুরসি বিরোধীদের ব্যাপারে নমনীয় নীতির ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে, তারা তাদের দাবিকে সম্মান জানায়।
মুরসি সমর্থক গোষ্ঠীর মুখপাত্র তারেক এল মাল্ট বলেছেন, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিলে তারা তাতে রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে মিশরের সেনাপ্রধান এবং অভ্যুত্থানের হোতা আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির কোনো ভূমিকা থাকতে পারবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সিসি বলেছেন, তিনি ‘কর্তৃত্ব প্রত্যাশী’ নয়।
গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিশরের সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি সমর্থকদের ওপর গুলিতে এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক লোক নিহত হয়েছেন।
মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের অনড় অবস্থানের মধ্যেই আমেরিকা আর ইউরোপের সিনিয়র কূটনীতিকরা দেশটির সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।
তারা এই সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তবে মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড বলেছে, মুরসি ও বাতিল ঘোষিত সংসদকে পুনবর্হাল করা হলে তারা রাজনৈতিক সংকট সমাধানের উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে, সেনা সমর্থিত সরকারের হুমকি উপেক্ষা করেই লাখ লাখ মুরসি সমর্থক কায়রোয় অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। তারা আরো বড় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস শনিবার মুসলিম ব্রাদারহুডের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরপরই মিশরের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমির সাথেও বৈঠক করেছেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ দূত বার্নাদিনো লিও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
ওই বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও মিশরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে এই আলোচনা সেখানে সংঘাত বন্ধে সহায়তা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমি বলেছেন, পরিস্থিতি গুরুতর না হলে তারা বিক্ষোভকারীদের উপর শক্তি প্রয়োগ করবেন না।
ফাহমি বলছেন, সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সব সময়েই যোগাযোগ রয়েছে। এটা এখন সবাই বুঝতে পারছে যে ঠিক কি করতে হবে আর মিশরের সবাই তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইছে। কারণ এই নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘ সময় চলতে পারে না।
ব্রাদারহুডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক বৈধতাকে স্বীকার এবং সেনা অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করা হলে তারা সংলাপকে স্বাগত জানায়।
বিবৃতিতে মুরসি বিরোধীদের ব্যাপারে নমনীয় নীতির ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে, তারা তাদের দাবিকে সম্মান জানায়।
মুরসি সমর্থক গোষ্ঠীর মুখপাত্র তারেক এল মাল্ট বলেছেন, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিলে তারা তাতে রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে মিশরের সেনাপ্রধান এবং অভ্যুত্থানের হোতা আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির কোনো ভূমিকা থাকতে পারবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সিসি বলেছেন, তিনি ‘কর্তৃত্ব প্রত্যাশী’ নয়।
গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিশরের সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি সমর্থকদের ওপর গুলিতে এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক লোক নিহত হয়েছেন।
তারা এই সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তবে মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড বলেছে, মুরসি ও বাতিল ঘোষিত সংসদকে পুনবর্হাল করা হলে তারা রাজনৈতিক সংকট সমাধানের উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে, সেনা সমর্থিত সরকারের হুমকি উপেক্ষা করেই লাখ লাখ মুরসি সমর্থক কায়রোয় অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। তারা আরো বড় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস শনিবার মুসলিম ব্রাদারহুডের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরপরই মিশরের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমির সাথেও বৈঠক করেছেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ দূত বার্নাদিনো লিও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
ওই বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও মিশরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে এই আলোচনা সেখানে সংঘাত বন্ধে সহায়তা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমি বলেছেন, পরিস্থিতি গুরুতর না হলে তারা বিক্ষোভকারীদের উপর শক্তি প্রয়োগ করবেন না।
ফাহমি বলছেন, সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সব সময়েই যোগাযোগ রয়েছে। এটা এখন সবাই বুঝতে পারছে যে ঠিক কি করতে হবে আর মিশরের সবাই তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইছে। কারণ এই নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘ সময় চলতে পারে না।
ব্রাদারহুডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক বৈধতাকে স্বীকার এবং সেনা অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করা হলে তারা সংলাপকে স্বাগত জানায়।
বিবৃতিতে মুরসি বিরোধীদের ব্যাপারে নমনীয় নীতির ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে, তারা তাদের দাবিকে সম্মান জানায়।
মুরসি সমর্থক গোষ্ঠীর মুখপাত্র তারেক এল মাল্ট বলেছেন, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিলে তারা তাতে রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে মিশরের সেনাপ্রধান এবং অভ্যুত্থানের হোতা আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির কোনো ভূমিকা থাকতে পারবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সিসি বলেছেন, তিনি ‘কর্তৃত্ব প্রত্যাশী’ নয়।
গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিশরের সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি সমর্থকদের ওপর গুলিতে এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক লোক নিহত হয়েছেন।
মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের অনড় অবস্থানের মধ্যেই আমেরিকা আর ইউরোপের সিনিয়র কূটনীতিকরা দেশটির সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।
তারা এই সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তবে মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড বলেছে, মুরসি ও বাতিল ঘোষিত সংসদকে পুনবর্হাল করা হলে তারা রাজনৈতিক সংকট সমাধানের উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে।
এদিকে, সেনা সমর্থিত সরকারের হুমকি উপেক্ষা করেই লাখ লাখ মুরসি সমর্থক কায়রোয় অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। তারা আরো বড় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস শনিবার মুসলিম ব্রাদারহুডের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরপরই মিশরের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমির সাথেও বৈঠক করেছেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ দূত বার্নাদিনো লিও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
ওই বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও মিশরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে এই আলোচনা সেখানে সংঘাত বন্ধে সহায়তা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমি বলেছেন, পরিস্থিতি গুরুতর না হলে তারা বিক্ষোভকারীদের উপর শক্তি প্রয়োগ করবেন না।
ফাহমি বলছেন, সরকার আর মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সব সময়েই যোগাযোগ রয়েছে। এটা এখন সবাই বুঝতে পারছে যে ঠিক কি করতে হবে আর মিশরের সবাই তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইছে। কারণ এই নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘ সময় চলতে পারে না।
ব্রাদারহুডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক বৈধতাকে স্বীকার এবং সেনা অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করা হলে তারা সংলাপকে স্বাগত জানায়।
বিবৃতিতে মুরসি বিরোধীদের ব্যাপারে নমনীয় নীতির ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে, তারা তাদের দাবিকে সম্মান জানায়।
মুরসি সমর্থক গোষ্ঠীর মুখপাত্র তারেক এল মাল্ট বলেছেন, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিলে তারা তাতে রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে মিশরের সেনাপ্রধান এবং অভ্যুত্থানের হোতা আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির কোনো ভূমিকা থাকতে পারবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সিসি বলেছেন, তিনি ‘কর্তৃত্ব প্রত্যাশী’ নয়।
গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিশরের সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি সমর্থকদের ওপর গুলিতে এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক লোক নিহত হয়েছেন।





0 comments:
Post a Comment