চট্টগ্রাম: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ
এরশাদ বলেছেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে আগ্রহী। তবে কোনো পাতানো নির্বাচনে
বা দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, এমন কোনো নির্বাচনে তার দল অংশ নেবে
না।
রাজনীতিবিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পেশাজীবী ও সাংবাদিকদের সম্মানে দলের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় পার্টির মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু বক্তব্য দেন।
সামনে সমূহ বিপদ আর গণতন্ত্র হুমকির মুখ- এমন মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আগামী নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, এ নিয়ে দেশবাসীর মনে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এরশাদ বলেন, দেশবাসী একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন চায়। কিন্তু জাতীয় পার্টি ছাড়া গত ২০ বছরে দেশে শান্তিপূর্ণ পন্থায় ক্ষমতার পরিবর্তন হয়নি বলে উল্লেখ করেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।
বর্তমান নির্বাচন কমিশন বিতর্কিত ও জনগণের আস্থা হারিয়েছে মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, “আমি বারবার বলেছি, আমরা তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নয়, নির্বাচন কমিশনের শক্তিশালীকরণ চাই। কিন্তু সরকার আমাদের কথা শোনেনি। এ নির্বাচন কমিশন বিতর্কিত, অযোগ্য। এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো দলই নির্বাচনে অংশ নিতে সাহস করবে না।”
দেশ কোন দিকে যাচ্ছে- এমন প্রশ্ন তুলে এরশাদ বলেন, “এ প্রশ্নের জবাব আজ কারো জানা নেই। দেশে প্রতিদিন মানুষ খুন হচ্ছে। রমজান মাসেও মানুষ খুন হচ্ছে। হরতাল, সংঘাত চলছে। পুলিশের গুলিতে মানুষ মরছে। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরাও নিজেদের গুলি করে মারছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টি চায়, সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আসুক।”
সংবিধানের ৯৩ ধারা পরিবর্তনের কারণে নির্বাচন নিয়ে সংশয় আরো গভীর হয়েছে মন্তব্য করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, “এতে করে নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ সম্ভব হবে না। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন। এটা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না ।”
ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, “আমাদের চেয়ারম্যান দলের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের প্রস্ততি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এককভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করলে জনগণ আমাদের সমর্থন জানাবে, এ বিশ্বাস আমাদের আছে।”
কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, “দেশ অনিবার্য সংঘাতের মুখে । এ কারণে নির্বাচন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশে যে হানাহানি ও সংঘাত তার দায়িত্ব কে নেবে? গণতন্ত্রের আকাশে আজ কালো মেঘের ঘনঘটা।”
জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু বলেন, “দেশ আজ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশ। ঈদের পর হরতালে আবার নৈরাজ্য ও সহিংসতা বাড়বে। জাতীয় পার্টি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী বলেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়।”
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন ছাড়াও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায়, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রিন্টু আনোয়ারসহ স্থানীয় নেতারা ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
তবে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের শরিক কোনো দলের স্থানীয় নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন না । জাতীয় পার্টির নেতারা জানান, ইফতার মাহফিলে আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
রাজনীতিবিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পেশাজীবী ও সাংবাদিকদের সম্মানে দলের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় পার্টির মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু বক্তব্য দেন।
সামনে সমূহ বিপদ আর গণতন্ত্র হুমকির মুখ- এমন মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আগামী নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, এ নিয়ে দেশবাসীর মনে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এরশাদ বলেন, দেশবাসী একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন চায়। কিন্তু জাতীয় পার্টি ছাড়া গত ২০ বছরে দেশে শান্তিপূর্ণ পন্থায় ক্ষমতার পরিবর্তন হয়নি বলে উল্লেখ করেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।
বর্তমান নির্বাচন কমিশন বিতর্কিত ও জনগণের আস্থা হারিয়েছে মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, “আমি বারবার বলেছি, আমরা তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নয়, নির্বাচন কমিশনের শক্তিশালীকরণ চাই। কিন্তু সরকার আমাদের কথা শোনেনি। এ নির্বাচন কমিশন বিতর্কিত, অযোগ্য। এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো দলই নির্বাচনে অংশ নিতে সাহস করবে না।”
দেশ কোন দিকে যাচ্ছে- এমন প্রশ্ন তুলে এরশাদ বলেন, “এ প্রশ্নের জবাব আজ কারো জানা নেই। দেশে প্রতিদিন মানুষ খুন হচ্ছে। রমজান মাসেও মানুষ খুন হচ্ছে। হরতাল, সংঘাত চলছে। পুলিশের গুলিতে মানুষ মরছে। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরাও নিজেদের গুলি করে মারছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টি চায়, সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আসুক।”
সংবিধানের ৯৩ ধারা পরিবর্তনের কারণে নির্বাচন নিয়ে সংশয় আরো গভীর হয়েছে মন্তব্য করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, “এতে করে নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ সম্ভব হবে না। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন। এটা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না ।”
ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, “আমাদের চেয়ারম্যান দলের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের প্রস্ততি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এককভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করলে জনগণ আমাদের সমর্থন জানাবে, এ বিশ্বাস আমাদের আছে।”
কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, “দেশ অনিবার্য সংঘাতের মুখে । এ কারণে নির্বাচন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশে যে হানাহানি ও সংঘাত তার দায়িত্ব কে নেবে? গণতন্ত্রের আকাশে আজ কালো মেঘের ঘনঘটা।”
জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু বলেন, “দেশ আজ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশ। ঈদের পর হরতালে আবার নৈরাজ্য ও সহিংসতা বাড়বে। জাতীয় পার্টি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী বলেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়।”
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন ছাড়াও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায়, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রিন্টু আনোয়ারসহ স্থানীয় নেতারা ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
তবে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের শরিক কোনো দলের স্থানীয় নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন না । জাতীয় পার্টির নেতারা জানান, ইফতার মাহফিলে আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।





0 comments:
Post a Comment