ঢাকা: ছোটদের ঈদ মানেই নতুন জামা, জুতো। কিন্তু এ আনন্দে
তারচেয়েও বড় অনুসঙ্গ হলো সেলামি। সেলামি না পেলে ঈদের দিনটাই যেনো মাটি। আর
সেলামির টাকাটা হতে হবে নতুন পোশাকের মতোই ঝকঝকে কড়কড়ে। ছোটদের এই আবদার
রক্ষায় ঈদের আগে বড়রা নতুন কচকচে টাকা জমানো শুরু করেন। এ কারণেই এসময় জমে
ওঠে নতুন টাকার বাজার। প্রতিবছরই ঈদের আগে নতুন টাকার রমরমা বাণিজ্য হয়।
বরাবরের মতো এবারও মতিঝিলের সেনাকল্যাণ সংস্থার সামনে, ফার্মগেট, গুলিস্তানে রাস্তার পাশে চলছে নতুন টাকার জমজমাট ব্যবসা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। বাজারে এসেছেন পুরনো ব্যবসায়ী ছাড়াও মৌসুমি অনেকে ব্যবসায়ী। এ আয় দিয়ে তাদেরও হবে ঈদশপিং বা বাচ্চাদের সেলামি।
মতিঝিলে নতুন টাকার ব্যবসায়ী আমজাত হোসেন জানান, প্রতিবছরই ঈদের আগে নতুন টাকার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ১০ রমজান থেকে বাড়তে থাকে। ১৫ রমজানের পর চলে জমজমাট ব্যবসা। দশ রমজানের পর প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন তিনি। দৈনিক আয় হচ্ছে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা।
তবে গত কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হওয়ার কারণে ব্যাবসায় কিছুটা ভাটা পড়ে। কারো কারো মাথায় হাত দেয়ার দশা। ভাগ্য ভালো গত কয়েক দিন ঝলঝলে রোদ থাকায় বেচাবিক্রি বেশ ভালোই চলছে। ঈদের আগ পর্যন্ত এরকম বেচাকেনা হতে থাকলে ঈদটা ভালোই কাটবে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই টাকা থেকে ২০ টাকা মূল্যমানের প্রতিটি নোটের বান্ডিল (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিনিময়ে ৩০ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন তারা। এছাড়া ৫০ ও ১০০ টাকার নোটের বান্ডিলে ক্রেতা বুঝে দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। ৫ টাকার (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকায়। ১০ টাকার নোটের বান্ডিল (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকায়। এক টাকার মুদ্রা ১০০টি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।
মতিঝিলে নতুন টাকা কিনতে আসা ক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাব। বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েরা ঈদের উপহার হিসেবে নতুন টাকা আশা করে। তাই নতুন টাকা কিনতে এসেছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন নোট ছাপানো শেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসেও পাঠানো হয়েছে। গ্রাহকদের হাতে এসব নোট পৌঁছাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখা অফিসে খোলা হয়েছে বিনিময় কাউন্টার। এসব কাউন্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন ব্যাংকে (সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত) আগত প্রত্যেক গ্রাহককে দুই টাকা, পাঁচ টাকা, ১০ টাকা ও ২০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বিনিময় করা হচ্ছে।
টাকা বিতরণের সময় যাতে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রধান কার্যালয়ের ৩০ তলা ভবনের নিচতলায় ক্যাশ কাউন্টার থেকে সর্বসাধারণের জন্য নতুন টাকা দেয়া হচ্ছে। মতিঝিল অফিস থেকে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পেশাজীবী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের। এছাড়া নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ১১টি শাখা থেকেও ঈদের ছুটির আগের কার্যদিবস পর্যন্ত নতুন নোট বিতরণ করা হবে।
তারপরও ব্যাংকে পুরাতন টাকা বিনিময়ে নতুন নোট পাওয়া যায় এটা অনেকে জানেন না। আবার বেশি সময় নষ্ট হয় এ ভেবে আবার তারা ব্যাংকে যেতেও চান না। তাই অধিকাংশ মানুষ ফুটপাতের বাজার থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করে থাকেন।
টাকা বিক্রেতা একরামুল জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা করছেন। সব সময় সেখানে ভাঙতি,নতুন টাকা বিক্রি হয়। সামনে ঈদ। তাই এখন ব্যবসা জমজমাট।
অবশ্য এ ব্যবসার একটা অন্ধকার দিকও আছে। সেটা জানা গেল টাকার বাজারগুলোতে ঘুরতে গিয়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর এক ব্যবসায়ী বাংলামেইলকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা আমাকে নতুন টাকা দেন। আমি ওই টাকা বিক্রি করি। দিন শেষে লাভের টাকা আমি আর স্যার ভাগাভাগি করে নিই।’
বরাবরের মতো এবারও মতিঝিলের সেনাকল্যাণ সংস্থার সামনে, ফার্মগেট, গুলিস্তানে রাস্তার পাশে চলছে নতুন টাকার জমজমাট ব্যবসা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। বাজারে এসেছেন পুরনো ব্যবসায়ী ছাড়াও মৌসুমি অনেকে ব্যবসায়ী। এ আয় দিয়ে তাদেরও হবে ঈদশপিং বা বাচ্চাদের সেলামি।
মতিঝিলে নতুন টাকার ব্যবসায়ী আমজাত হোসেন জানান, প্রতিবছরই ঈদের আগে নতুন টাকার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ১০ রমজান থেকে বাড়তে থাকে। ১৫ রমজানের পর চলে জমজমাট ব্যবসা। দশ রমজানের পর প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন তিনি। দৈনিক আয় হচ্ছে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা।
তবে গত কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হওয়ার কারণে ব্যাবসায় কিছুটা ভাটা পড়ে। কারো কারো মাথায় হাত দেয়ার দশা। ভাগ্য ভালো গত কয়েক দিন ঝলঝলে রোদ থাকায় বেচাবিক্রি বেশ ভালোই চলছে। ঈদের আগ পর্যন্ত এরকম বেচাকেনা হতে থাকলে ঈদটা ভালোই কাটবে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই টাকা থেকে ২০ টাকা মূল্যমানের প্রতিটি নোটের বান্ডিল (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিনিময়ে ৩০ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন তারা। এছাড়া ৫০ ও ১০০ টাকার নোটের বান্ডিলে ক্রেতা বুঝে দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। ৫ টাকার (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকায়। ১০ টাকার নোটের বান্ডিল (১০০ পিস নোটের এক বান্ডিল) বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকায়। এক টাকার মুদ্রা ১০০টি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।
মতিঝিলে নতুন টাকা কিনতে আসা ক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাব। বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েরা ঈদের উপহার হিসেবে নতুন টাকা আশা করে। তাই নতুন টাকা কিনতে এসেছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন নোট ছাপানো শেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসেও পাঠানো হয়েছে। গ্রাহকদের হাতে এসব নোট পৌঁছাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখা অফিসে খোলা হয়েছে বিনিময় কাউন্টার। এসব কাউন্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন ব্যাংকে (সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত) আগত প্রত্যেক গ্রাহককে দুই টাকা, পাঁচ টাকা, ১০ টাকা ও ২০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বিনিময় করা হচ্ছে।
টাকা বিতরণের সময় যাতে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রধান কার্যালয়ের ৩০ তলা ভবনের নিচতলায় ক্যাশ কাউন্টার থেকে সর্বসাধারণের জন্য নতুন টাকা দেয়া হচ্ছে। মতিঝিল অফিস থেকে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পেশাজীবী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের। এছাড়া নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ১১টি শাখা থেকেও ঈদের ছুটির আগের কার্যদিবস পর্যন্ত নতুন নোট বিতরণ করা হবে।
তারপরও ব্যাংকে পুরাতন টাকা বিনিময়ে নতুন নোট পাওয়া যায় এটা অনেকে জানেন না। আবার বেশি সময় নষ্ট হয় এ ভেবে আবার তারা ব্যাংকে যেতেও চান না। তাই অধিকাংশ মানুষ ফুটপাতের বাজার থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করে থাকেন।
টাকা বিক্রেতা একরামুল জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা করছেন। সব সময় সেখানে ভাঙতি,নতুন টাকা বিক্রি হয়। সামনে ঈদ। তাই এখন ব্যবসা জমজমাট।
অবশ্য এ ব্যবসার একটা অন্ধকার দিকও আছে। সেটা জানা গেল টাকার বাজারগুলোতে ঘুরতে গিয়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর এক ব্যবসায়ী বাংলামেইলকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা আমাকে নতুন টাকা দেন। আমি ওই টাকা বিক্রি করি। দিন শেষে লাভের টাকা আমি আর স্যার ভাগাভাগি করে নিই।’





0 comments:
Post a Comment