নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রভাবশালী এমপি
নাসিম ওসমানের একমাত্র ছেলে আজমেরী ওসমানের টর্চার সেল থেকে রক্তমাখা
জিন্সপ্যান্ট, গুলির চিহ্ন সম্বলিত একটি সোফা ও একটি আলমারি উদ্ধার ও জব্দ
করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা ৩৮/৪, জেলা শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের উইনার ফ্যাশনে অভিযান চালায় র্যাব-১১। এ সময় উইনার ফ্যাশনের দেয়ালে অসংখ্য গুলির চিহ্ন পায় র্যাব।
এছাড়াও সেখান থেকে একটি আকাশী রংয়ের জিন্সপ্যান্ট, রশি, একটি ভাঙ্গা হকিস্টিক, দুইটি লাঠি, ৪টি মোবাইল ফোন, বেশ কয়েকটি সিডি ক্যাসেট, একটি ডিভিআর (ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার), ৩টি সিসি ক্যামেরা, ১টি সিপিও, ১টি পিস্তলের বাট ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি, বেশকিছু ছবি, উদ্ধার করা হয়।
এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই অফিসের ড্রাইভার ও দারোয়ানসহ চারজনকে র্যাব কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। তারা হলেন- ড্রাইভার জামশেদ, লিটু, শিপন, ও দারোয়ান শুক্কুর।
র্যাব-১১ এর সিও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের বেশ কয়েকটি টিম অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- র্যাবের এএসপি রবিউল হোসেন, ডিএডি সাদিরা খাতুন, কমান্ডার এম এম রানা।
অভিযান চলাকালে র্যাব সদস্যরা আল্লামা ইকবাল রোডের বিভিন্ন পয়েন্ট ও গলিতে অবস্থান নেয়। এতে ওই এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
র্যাবের সিও জাহাঙ্গীর সাংবাদিকদের জানান, ত্বকী হত্যা মামলায় তদন্তের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী এখানে অভিযান চালানো হয়েছে। এর আগে আমরা হাজী রিপনের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলাম। ঠিক সেইভাবে এখানেও অভিযান চালানো হয়। এখান থেকে বেশ কিছু জিনিসপত্র জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা ৩৮/৪, জেলা শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের উইনার ফ্যাশনে অভিযান চালায় র্যাব-১১। এ সময় উইনার ফ্যাশনের দেয়ালে অসংখ্য গুলির চিহ্ন পায় র্যাব।
এছাড়াও সেখান থেকে একটি আকাশী রংয়ের জিন্সপ্যান্ট, রশি, একটি ভাঙ্গা হকিস্টিক, দুইটি লাঠি, ৪টি মোবাইল ফোন, বেশ কয়েকটি সিডি ক্যাসেট, একটি ডিভিআর (ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার), ৩টি সিসি ক্যামেরা, ১টি সিপিও, ১টি পিস্তলের বাট ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি, বেশকিছু ছবি, উদ্ধার করা হয়।
এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই অফিসের ড্রাইভার ও দারোয়ানসহ চারজনকে র্যাব কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। তারা হলেন- ড্রাইভার জামশেদ, লিটু, শিপন, ও দারোয়ান শুক্কুর।
র্যাব-১১ এর সিও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের বেশ কয়েকটি টিম অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- র্যাবের এএসপি রবিউল হোসেন, ডিএডি সাদিরা খাতুন, কমান্ডার এম এম রানা।
অভিযান চলাকালে র্যাব সদস্যরা আল্লামা ইকবাল রোডের বিভিন্ন পয়েন্ট ও গলিতে অবস্থান নেয়। এতে ওই এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
র্যাবের সিও জাহাঙ্গীর সাংবাদিকদের জানান, ত্বকী হত্যা মামলায় তদন্তের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী এখানে অভিযান চালানো হয়েছে। এর আগে আমরা হাজী রিপনের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলাম। ঠিক সেইভাবে এখানেও অভিযান চালানো হয়। এখান থেকে বেশ কিছু জিনিসপত্র জব্দ করা হয়েছে।





0 comments:
Post a Comment