ঢাকা : যে উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের
ফিরিস্তি তুলে ধরে বিলবোর্ডে ছেঁয়ে ফেলেছে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা সে
উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বরং হিতে বিপরীত হয়েছে দলটির।
বিলবোর্ডের মালিক পক্ষের সঙ্গে কোনো প্রকার ভাড়া বা চুক্তি ছাড়াই আইনের তোয়াক্কা না করে এ বিলবোর্ডগুলো স্থাপনের ৩ দিনের মাথায় রাজধানীসহ দেশজুড়ে সরকারের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা গেছে। সাধারণ মানুষ খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না সরকারের এ কাজ।
তাদের মতে, চর দখলের মতো রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড দখল করেছে আওয়ামী লীগ। যদিও সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়ে লাগানো বিলবোর্ডের দায় স্বীকার করেনি ক্ষমতাসীনরা। তবে দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বিলবোর্ড। সরকারি ও বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্যের প্রধান উপজীব্য এখন বিলবোর্ড।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারে উন্নয়ন ফিরিস্তি দিয়ে লাগানো বিলবোর্ডের কারণে বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার শীর্ষ কর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঈদ সামনের রেখে গোটা মাস বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়েছি। কিন্তু শেষ সময়ে এসে বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলায় তারা আমাদের পাওনা পরিশোধ করতে গড়িমসি করছে। ইতোমধ্যে অনেকে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়ার আগেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলার কারণ জানতে চেয়েছেন। এখন আমরা কার কাছে এই অনিয়মের বিচার চাইবো। যার কাছে বিচার চাইবো, তার ছবিইতো বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে।
সমপ্রতি রাজধানীসহ আশপাশের জেলায় সরকারের নানা উন্নয়নের সচিত্র বর্ণনা দিয়ে বিলবোর্ড টানানো হয়। ঢাকা মহানগরীতে এই সব বিলবোর্ডের মালিকানা সিটি করপোরেশনের। তবে তারা বলছে, সরকারের উন্নয়নের প্রচারণায় যে বিলবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছে সে বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
ডিসিসি বলছে, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থাকে প্রতি বর্গফুট হিসেবে ইজারা দেয়া হয় বিলবোর্ড স্থাপনের জন্য। সেখানে কি বিজ্ঞাপন দেয়া হলো তা দেখভালের দায়িত্ব তাদের নয়। তারা শুধু বিলবোর্ডগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে রাতের অন্ধকারে দখল হয়ে যাওয়া এই সব বিলবোর্ডের মালিক বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও বিজ্ঞাপনদাতারা সাধারণ মানুষের মতোই হতবাক।
বিলবোর্ড মালিকদের অভিযোগ, ঈদ সামনে রেখে বিশেষ করে ফ্যাশন হাউজগুলো তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য বিলবোর্ড ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ঈদের কেনাকাটা শেষ হওয়ার আগেই তাদের বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলায় তারাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, মগবাজার, তেজগাঁও, শাহবাগ, মৎস্যভবন মোড়, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, সায়দাবাদ, গাবতলী, উত্তরাসহ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে এসব বিলবোর্ড নেই। তবে লক্ষণীয় হলো সরকারি বেশ কয়েকটি সংস্থা ও সরকারদলীয় নেতাদের প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্র সংবলিত বিলবোর্ডগুলো এই ‘দখলদারিত্ব’ থেকে মুক্ত রয়েছে।
এই সব বিজ্ঞাপনে প্রচারকের কোনো নাম না থাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত স্বীকার করেননি কারা বিলবোর্ডগুলোতে এ বিজ্ঞাপন লাগিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিরোধী দলের অপপ্রচারে সাধারণ জনগণ যাতে বিভ্রান্ত না হয় সে জন্যই এসব বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। তবে কতো দিন থাকছে এসব বিলবোর্ড সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেন না বলে জানান।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বিলবোর্ডগুলো জনগণ লাগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, যারা সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখে না তাদের জন্য এই ব্যবস্থা। তবে যারাই লাগিয়ে থাকুক, আমরা খুশি হয়েছি।
বিলবোর্ডে যে স্ক্রিন প্রিন্টের বিজ্ঞাপন লাগানো হয়েছে রাজধানীতে এমন ১০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা এই কাজগুলো করে থাকে।
সংশ্লিষ্ট ওইসব প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮০ কোটি টাকা বাজেটে এই বিজ্ঞাপনের কাজ চলছে। রাত-দিন বিরতিহীনভাবে কাজ করছে এই সব প্রতিষ্ঠান। আর এই কাজের দায়িত্বে রয়েছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।
বিলবোর্ডের মালিক পক্ষের সঙ্গে কোনো প্রকার ভাড়া বা চুক্তি ছাড়াই আইনের তোয়াক্কা না করে এ বিলবোর্ডগুলো স্থাপনের ৩ দিনের মাথায় রাজধানীসহ দেশজুড়ে সরকারের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা গেছে। সাধারণ মানুষ খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না সরকারের এ কাজ।
তাদের মতে, চর দখলের মতো রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড দখল করেছে আওয়ামী লীগ। যদিও সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়ে লাগানো বিলবোর্ডের দায় স্বীকার করেনি ক্ষমতাসীনরা। তবে দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বিলবোর্ড। সরকারি ও বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্যের প্রধান উপজীব্য এখন বিলবোর্ড।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারে উন্নয়ন ফিরিস্তি দিয়ে লাগানো বিলবোর্ডের কারণে বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার শীর্ষ কর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঈদ সামনের রেখে গোটা মাস বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়েছি। কিন্তু শেষ সময়ে এসে বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলায় তারা আমাদের পাওনা পরিশোধ করতে গড়িমসি করছে। ইতোমধ্যে অনেকে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়ার আগেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলার কারণ জানতে চেয়েছেন। এখন আমরা কার কাছে এই অনিয়মের বিচার চাইবো। যার কাছে বিচার চাইবো, তার ছবিইতো বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে।
সমপ্রতি রাজধানীসহ আশপাশের জেলায় সরকারের নানা উন্নয়নের সচিত্র বর্ণনা দিয়ে বিলবোর্ড টানানো হয়। ঢাকা মহানগরীতে এই সব বিলবোর্ডের মালিকানা সিটি করপোরেশনের। তবে তারা বলছে, সরকারের উন্নয়নের প্রচারণায় যে বিলবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছে সে বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
ডিসিসি বলছে, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থাকে প্রতি বর্গফুট হিসেবে ইজারা দেয়া হয় বিলবোর্ড স্থাপনের জন্য। সেখানে কি বিজ্ঞাপন দেয়া হলো তা দেখভালের দায়িত্ব তাদের নয়। তারা শুধু বিলবোর্ডগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে রাতের অন্ধকারে দখল হয়ে যাওয়া এই সব বিলবোর্ডের মালিক বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও বিজ্ঞাপনদাতারা সাধারণ মানুষের মতোই হতবাক।
বিলবোর্ড মালিকদের অভিযোগ, ঈদ সামনে রেখে বিশেষ করে ফ্যাশন হাউজগুলো তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য বিলবোর্ড ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু ঈদের কেনাকাটা শেষ হওয়ার আগেই তাদের বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলায় তারাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, মগবাজার, তেজগাঁও, শাহবাগ, মৎস্যভবন মোড়, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, সায়দাবাদ, গাবতলী, উত্তরাসহ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে এসব বিলবোর্ড নেই। তবে লক্ষণীয় হলো সরকারি বেশ কয়েকটি সংস্থা ও সরকারদলীয় নেতাদের প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্র সংবলিত বিলবোর্ডগুলো এই ‘দখলদারিত্ব’ থেকে মুক্ত রয়েছে।
এই সব বিজ্ঞাপনে প্রচারকের কোনো নাম না থাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত স্বীকার করেননি কারা বিলবোর্ডগুলোতে এ বিজ্ঞাপন লাগিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিরোধী দলের অপপ্রচারে সাধারণ জনগণ যাতে বিভ্রান্ত না হয় সে জন্যই এসব বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। তবে কতো দিন থাকছে এসব বিলবোর্ড সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেন না বলে জানান।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বিলবোর্ডগুলো জনগণ লাগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, যারা সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখে না তাদের জন্য এই ব্যবস্থা। তবে যারাই লাগিয়ে থাকুক, আমরা খুশি হয়েছি।
বিলবোর্ডে যে স্ক্রিন প্রিন্টের বিজ্ঞাপন লাগানো হয়েছে রাজধানীতে এমন ১০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা এই কাজগুলো করে থাকে।
সংশ্লিষ্ট ওইসব প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮০ কোটি টাকা বাজেটে এই বিজ্ঞাপনের কাজ চলছে। রাত-দিন বিরতিহীনভাবে কাজ করছে এই সব প্রতিষ্ঠান। আর এই কাজের দায়িত্বে রয়েছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।





0 comments:
Post a Comment