ঢাকা: প্রতি বছরের ন্যায় এবারো প্রস্তুত হচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। দেশের প্রধান ঈদের জামাতকে ঘিরে হাইকোর্ট সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতির কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।
বিগত বছরের চেয়ে এবার আগেভাগে কাজ শুরু হওয়ায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি অনেকটা এগিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই ময়দান প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ২ লাখ ৬০ হাজার বর্গফুটের বিশাল আয়তনের মাঠটিতে ত্রিপল লাগানোর কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে শামিয়ানা টানানোর কাজও। অনেকটা অংশ জুড়েই এরই মধ্যে ত্রিপল ও শামিয়ানা টানানো হয়েছে। পাশাপাশি চলছে ঘাস কাটার কাজ। শামিয়ানা টানানো ও ঘাস কাটার কাজ শেষ হলেই ফ্যান-লাইট ও কারপেট বিছানোর কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতির দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিয়ারু অ্যান্ড সন্স এর ব্যবস্থাপক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘অন্যান্য বছরে ১০ রমজানের পর থেকে ময়দান প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়। এবার ১ রমজান থেকে কাজ শুরু করায় অনায়াসে সব কাজ গুছিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’
এবার অনেক আগেই ময়দান প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ৬৪টি প্যাডাস্টাল ও ৪০০টি সিলিং ফ্যান লাগানো হবে।’
এদিকে, প্রস্তুতির তদারককারী সংস্থা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান এ জামাতকে ঘিরে মুসল্লিদের অজুর পানি সরবরাহ ও ব্যবহৃত পানি অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে মুসল্লিদের সুবিধার জন্য ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওযু খানার পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য থাকছে একটি ভ্রাম্যমান শৌচাগার।
আর গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে কোর্ট চত্বর এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের খালি জায়গায়। কদম ফোয়ারার সামনের প্রধান ফটকসহ চারটি পথে মুসল্লিরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করবেন। এর মধ্যে একটি ভিআইপিদের জন্য, দুইটি সাধারণ মুসল্লিদের জন্য আর একটি ফটক থাকবে নারীদের প্রবেশের জন্য। ফটক থেকে প্যান্ডেল পর্যন্ত যাওয়ার পথেও থাকছে ছাউনি।
বরারবের মতো এবারো থাকছে ভিআইপিদের জন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। তাদের জন্য ভেতরে প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গা বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ময়দানের আশপাশের এলাকায় সিসি ক্যামরা বসানো হচ্ছে। এছাড়া জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ময়দানে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশের আলাদা দুইটি ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে র্যাব ও পুলিশের গোয়েন্দা দল মোতায়েন থাকবে ঈদগাহ এলাকায়।
জানা গেছে, এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে কমপক্ষে দেড় লাখ মুসল্লি স্বাচ্ছন্দে নামায আদায় করতে পারবেন।
বিগত বছরের চেয়ে এবার আগেভাগে কাজ শুরু হওয়ায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি অনেকটা এগিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই ময়দান প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ২ লাখ ৬০ হাজার বর্গফুটের বিশাল আয়তনের মাঠটিতে ত্রিপল লাগানোর কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে শামিয়ানা টানানোর কাজও। অনেকটা অংশ জুড়েই এরই মধ্যে ত্রিপল ও শামিয়ানা টানানো হয়েছে। পাশাপাশি চলছে ঘাস কাটার কাজ। শামিয়ানা টানানো ও ঘাস কাটার কাজ শেষ হলেই ফ্যান-লাইট ও কারপেট বিছানোর কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতির দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিয়ারু অ্যান্ড সন্স এর ব্যবস্থাপক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘অন্যান্য বছরে ১০ রমজানের পর থেকে ময়দান প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়। এবার ১ রমজান থেকে কাজ শুরু করায় অনায়াসে সব কাজ গুছিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’
এবার অনেক আগেই ময়দান প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ৬৪টি প্যাডাস্টাল ও ৪০০টি সিলিং ফ্যান লাগানো হবে।’
এদিকে, প্রস্তুতির তদারককারী সংস্থা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান এ জামাতকে ঘিরে মুসল্লিদের অজুর পানি সরবরাহ ও ব্যবহৃত পানি অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে মুসল্লিদের সুবিধার জন্য ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওযু খানার পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য থাকছে একটি ভ্রাম্যমান শৌচাগার।
আর গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে কোর্ট চত্বর এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের খালি জায়গায়। কদম ফোয়ারার সামনের প্রধান ফটকসহ চারটি পথে মুসল্লিরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করবেন। এর মধ্যে একটি ভিআইপিদের জন্য, দুইটি সাধারণ মুসল্লিদের জন্য আর একটি ফটক থাকবে নারীদের প্রবেশের জন্য। ফটক থেকে প্যান্ডেল পর্যন্ত যাওয়ার পথেও থাকছে ছাউনি।
বরারবের মতো এবারো থাকছে ভিআইপিদের জন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। তাদের জন্য ভেতরে প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গা বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ময়দানের আশপাশের এলাকায় সিসি ক্যামরা বসানো হচ্ছে। এছাড়া জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ময়দানে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশের আলাদা দুইটি ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে র্যাব ও পুলিশের গোয়েন্দা দল মোতায়েন থাকবে ঈদগাহ এলাকায়।
জানা গেছে, এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে কমপক্ষে দেড় লাখ মুসল্লি স্বাচ্ছন্দে নামায আদায় করতে পারবেন।





0 comments:
Post a Comment