ঢাকা: চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ রাত ১২টায়। তাই শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। অন্তত একবার করে হলেও হাত নেড়ে ভোটারদের নিজের কথাটা মনে করিয়ে দিতে মরিয়া তারা।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী শনিবার নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী প্রচার-প্রচারণার সময় শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায়।
ভোটারদের পক্ষে টানতে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুঁটছেন প্রার্থী এবং তাদের সমর্থনে প্রচারকাজে থাকা নেতাকর্মীরা ও সমর্থকরা। শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের মন জয়ে ব্যস্ত তারা। তাই ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা।
এদিকে, প্রার্থীদের পক্ষে প্রচাণায় চালাতে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আজকে দিনের মধ্যে নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীন ১৪ দল ও বিরোধী জোট ১৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
আর ভোটগ্রহণের সময় ঘনিয়ে আসায় সিটি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। বরিশালে ইতোমধ্যে টহল দিতে শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি’র সদস্যরা।
অবশ্য, শেষ মুহূর্তেও অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ এবং পরস্পরকে কথার বাণে বিদ্ধ করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। আধিপত্য বিস্তার, নাশকতা সৃষ্টি ও কেন্দ্র দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে সেনা মোয়েতেনের দাবি করেছেন অনেক প্রার্থী।
সিটি নির্বাচন স্থানীয় নির্বাচন হলেও বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে এসে এতে জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করে আনতে দুই জোটই মরিয়া। ফলে সহিংসতা আশঙ্কাও প্রকট হচ্ছে।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেক জানানো হয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে প্রয়োজনে সেনা মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলেও কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।




0 comments:
Post a Comment