বৃহস্পতিবার দুই রিকশাচালক মেয়র আরিফুল
হককে বোমা মেরে হত্যার চেষ্ট চলছে এমন তথ্য দিলে পুলিশ নগরজুড়ে অভিযান
অব্যাহত রেখে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালিয়েছে।
এরই মধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন চার পথচারীকে আটক করেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আটকদের পরিচয় জানায়নি।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার
(এসি) মো. সামী বলেন, আমরা ঘটনার সত্যতা পাইনি। রিকশার ওই দুই যাত্রীকেও
খুঁজে পাইনি। সন্দেহভাজন চারজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।
মেয়র আরিফুল হক বলেন, সতর্কতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে আমি বন্দরবাজারের গণসংযোগ বাতিল করে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে পুলিশকে জানিয়েছি।
বোমা পুঁতে রাখার সংবাদ শোনার পর
বৃহস্পতিবার তার সব কর্মসূচি বাতিল করেন মেয়র আরিফুল। বৃহস্পতিবার বেলা
১২টায় সিলেট হেড পোস্টঅফিসের সামনে ওই কর্মসূচি হওয়ার ছিল।
আরিফুল হকের পরিবার জানায়, তারা চরম
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মেয়রের বাসভবন ঘিরে নিরাপত্তা
ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আতাউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরের আগে দুজন রিকশাযাত্রী আরিফুল
হককে বোমা মেরে হত্যা করার কথা বলাবলি করছিল। এটা শুনে রিকশাচালক
কোতোয়ালি থানায় গিয়ে বিষয়টি অবহিত করলে পুলিশ তৎপর হয়।
মেয়রের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেলা
১১টার দিকে নগরের কুমারপাড়ার বাসা থেকে আরিফুল হক গণসংযোগের উদ্দেশ্যে
বের হওয়ার সময় দুজন অপরিচিত লোক নিজেদের রিকশাচালক পরিচয় দিয়ে তার
পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে দেন, বন্দরবাজারে গেলে মেয়রকে বোমা মেরে
হত্যার পরিকল্পনা করেছে একটি চক্র। চার যুবক তাদের রিকশায় করে নগরীর উপশহর
থেকে সেখানে বোমা নিয়ে যান বলে জানায় ওই দুই রিকশাচালক।
পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিক বিষয়টি আরিফুল হককে জানান। এরপর মেয়র গণসংযোগ কর্মসূচি বাতিল করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবরের পর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার এলাকা থেকে চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
খবরের পর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার এলাকা থেকে চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।




0 comments:
Post a Comment