
ঢাকা: বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন,
“প্রধানমন্ত্রীর হাতে পড়ে দুদকের আজ দাঁত নেই। তারা দুদকের দুই পাটি দাঁতই
ভেঙে দিয়েছে। এক পাটি ভেঙেছে যাতে সরকার দলীয় লোকদের বিরুদ্ধে মামলা না
করতে পারে সেজন্যে। আর অন্য পাটি দাঁত ভেঙেছে, বিরোধী দল ও বিরোধী দলীয়
নেত্রীর পরিবারের লোজনের নামে মামলার করার জন্যে। দুদক মামলা করতে চায়নি
বলে তার অপর পাটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু একদিন দুদকের নতুন দাঁত উঠবে।”
বুধবার নবম জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান প্রসঙ্গে খোকন বলেন, “সেই সময় দুইজন রাজনীতিবিদ প্যারোলে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্যে বিদেশ গিয়েছিলেন। একজন তারেক রহমান এবং অন্যজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিান। তারেক রহমান বলেছিলেন চিকিৎসাধীন থাকাকালে রাজনীতি করবেন না । তিনি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার শর্ত ভঙ্গ করেছিলেন।”
সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার এখন ভয় পাচ্ছে। ৪ মে খালেদা জিয়ার মহাসমাবেশে লাখ লাখ মানুষ হয়েছিল। ৫ মে হেফাজতের কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ হয়েছিল। সরকারে বিরুদ্ধে ডাক দিলেই লাখ লাখ মানুষ হয়। এটা দেখে সরকার ভয় পেয়েছে।”
হেফাজতের কর্মসূচিতে সরকার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “তাদের হাতে রক্ত। তাদের বিচার হবেই। ১৯৭১ সালে যারা নারী নির্যাতন ও মানুষ হত্যা করেছিল তাদের বিচার হচ্ছে। যারা হেফাজতের কর্মীদের হত্যা করেছে তাদেরও বিচার হবে। ট্রাইবুনোলেই হবে।”
বিরোধীদলীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, “গত নির্বাচনে তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। তারা ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছে।”
বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২৫ অক্টোবর সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। তারা এই সময়ের মধ্যে লুটপাটের জন্যে এই শুভঙ্করের ফাঁকির বাজেট পেশ করেছেন।”
বুধবার নবম জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান প্রসঙ্গে খোকন বলেন, “সেই সময় দুইজন রাজনীতিবিদ প্যারোলে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্যে বিদেশ গিয়েছিলেন। একজন তারেক রহমান এবং অন্যজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিান। তারেক রহমান বলেছিলেন চিকিৎসাধীন থাকাকালে রাজনীতি করবেন না । তিনি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার শর্ত ভঙ্গ করেছিলেন।”
সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার এখন ভয় পাচ্ছে। ৪ মে খালেদা জিয়ার মহাসমাবেশে লাখ লাখ মানুষ হয়েছিল। ৫ মে হেফাজতের কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ হয়েছিল। সরকারে বিরুদ্ধে ডাক দিলেই লাখ লাখ মানুষ হয়। এটা দেখে সরকার ভয় পেয়েছে।”
হেফাজতের কর্মসূচিতে সরকার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “তাদের হাতে রক্ত। তাদের বিচার হবেই। ১৯৭১ সালে যারা নারী নির্যাতন ও মানুষ হত্যা করেছিল তাদের বিচার হচ্ছে। যারা হেফাজতের কর্মীদের হত্যা করেছে তাদেরও বিচার হবে। ট্রাইবুনোলেই হবে।”
বিরোধীদলীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, “গত নির্বাচনে তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। তারা ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছে।”
বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২৫ অক্টোবর সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। তারা এই সময়ের মধ্যে লুটপাটের জন্যে এই শুভঙ্করের ফাঁকির বাজেট পেশ করেছেন।”




0 comments:
Post a Comment