
ঢাকা: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আজমত
উল্লাহ খানকে জেতাতে স্থানীয় সরকার বিভাগ বিভিন্ন মহলে দেন-দরবার শুরু
করেছে। নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভীও আজমত উল্লাহ খানকে জেতাতে প্রচারণা চালাতে
গাজীপুর যাবেন বলে সরকার সমর্থিত সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চার সিটি করপোরেশনে হেরে যাওয়ার পর গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে বেশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করতে।
সূত্র মতে, গাজীপুরের দুই সংসদ সদস্য আকম মোজাম্মেল হক ও জাহিদ হাসানকে ডেকে নিয়ে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া জাহাঙ্গীর আলমকেও ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী আজমত উল্লাহ খানের গণসংযোগে অংশ নিতে এবং তার জন্য কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে এটিই প্রথম নির্বাচন। আগামী ৬ জুলাই এখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মোট ভোটার ১০ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৮ জন।
সরকারের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার বিভাগ চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেরে যাওয়ার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করেছে। গত সোমবার দিনভর এসব বিষয় চিহ্নিত করে কীভাবে এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করা যায়, তার একটি কৌশল প্রণয়ন করেছে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তার কৌশলও খোঁজা হচ্ছে।
সূত্র মতে, চার সিটি নির্বাচনে হারার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটারদের দূরত্ব। এজন্য এ নির্বাচনে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
তবে কেউ কেউ এসময়ে নির্বাচন দেয়ায় এবং ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী হেরে যাওয়ায় সরকারের সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেয়া হচ্ছে।
সরকার পক্ষের যুক্তি, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তা দূর হয়ে শান্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি দলীয় সরকারের অধীনে যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণিত হয়েছে। তবে সরকার ভেবেছিল দুটি আসনে জয়লাভ করবে। তা না করতে পারার কারণ হিসেবে প্রার্থীদের কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আকম মোজাম্মেল হক জানান, আজমত উল্লাহ খানের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সব ভেদাভেদ ভুলে তারা মাঠে নেমেছেন।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলোচিত নাম জাহাঙ্গীর আলম। শুরু থেকেই নির্চাবন নিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন তিনি। গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। নির্বাচন করার জন্য সেখান থেকে পদত্যাগ করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। ফলে রিটানিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরপর তিনি আপিলের জন্য যান বিভাগীয় কমিশনারের কাছে। বিভাগীয় কমিশনার তিন দিন ঘোরানোর পর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কথা জানান।
সবশেষে যান হাইকোর্টে। হাইকোর্টের আদেশে প্রতীক পাওয়ার পর ১৮ জুন থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন জাহাঙ্গীর। তার এ দৌড়ঝাঁপ চলে ২৭ মে থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত। কিন্তু প্রচারণা শুরুর দুই ঘণ্টার মাথায় ১৮ জুন রাতেই টঙ্গী থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে অনেকটা জোর করে ঢাকায় নিয়ে যান। এরপর জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ঘোষণা দেন জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এরপরের চার দিন জাহাঙ্গীরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে গত মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর নাটকের অবসান ঘটে।
সূত্রগুলো বলছে, জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে স্থানীয় সরকার বিভাগ নানা কৌশল গ্রহণ করে। তার পদত্যাগ পর্যন্ত গ্রহণ করতে রাজি হয়নি স্থানীয় সরকার বিভাগ।
সূত্র জানায়, চার সিটি করপোরেশনে হেরে যাওয়ার পর গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে বেশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করতে।
সূত্র মতে, গাজীপুরের দুই সংসদ সদস্য আকম মোজাম্মেল হক ও জাহিদ হাসানকে ডেকে নিয়ে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া জাহাঙ্গীর আলমকেও ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী আজমত উল্লাহ খানের গণসংযোগে অংশ নিতে এবং তার জন্য কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে এটিই প্রথম নির্বাচন। আগামী ৬ জুলাই এখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মোট ভোটার ১০ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৮ জন।
সরকারের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার বিভাগ চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেরে যাওয়ার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করেছে। গত সোমবার দিনভর এসব বিষয় চিহ্নিত করে কীভাবে এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করা যায়, তার একটি কৌশল প্রণয়ন করেছে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তার কৌশলও খোঁজা হচ্ছে।
সূত্র মতে, চার সিটি নির্বাচনে হারার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটারদের দূরত্ব। এজন্য এ নির্বাচনে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
তবে কেউ কেউ এসময়ে নির্বাচন দেয়ায় এবং ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী হেরে যাওয়ায় সরকারের সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেয়া হচ্ছে।
সরকার পক্ষের যুক্তি, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তা দূর হয়ে শান্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি দলীয় সরকারের অধীনে যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণিত হয়েছে। তবে সরকার ভেবেছিল দুটি আসনে জয়লাভ করবে। তা না করতে পারার কারণ হিসেবে প্রার্থীদের কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আকম মোজাম্মেল হক জানান, আজমত উল্লাহ খানের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সব ভেদাভেদ ভুলে তারা মাঠে নেমেছেন।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলোচিত নাম জাহাঙ্গীর আলম। শুরু থেকেই নির্চাবন নিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন তিনি। গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। নির্বাচন করার জন্য সেখান থেকে পদত্যাগ করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। ফলে রিটানিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরপর তিনি আপিলের জন্য যান বিভাগীয় কমিশনারের কাছে। বিভাগীয় কমিশনার তিন দিন ঘোরানোর পর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কথা জানান।
সবশেষে যান হাইকোর্টে। হাইকোর্টের আদেশে প্রতীক পাওয়ার পর ১৮ জুন থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন জাহাঙ্গীর। তার এ দৌড়ঝাঁপ চলে ২৭ মে থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত। কিন্তু প্রচারণা শুরুর দুই ঘণ্টার মাথায় ১৮ জুন রাতেই টঙ্গী থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে অনেকটা জোর করে ঢাকায় নিয়ে যান। এরপর জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ঘোষণা দেন জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এরপরের চার দিন জাহাঙ্গীরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে গত মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর নাটকের অবসান ঘটে।
সূত্রগুলো বলছে, জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে স্থানীয় সরকার বিভাগ নানা কৌশল গ্রহণ করে। তার পদত্যাগ পর্যন্ত গ্রহণ করতে রাজি হয়নি স্থানীয় সরকার বিভাগ।




0 comments:
Post a Comment