লন্ডন : বৃটেনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা লর্ড কোরবান হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধের ইংগিত বহন করছে। বিষয়টি দেশটির গণতন্ত্রের জন্য হুমকি এবং এ পরিস্থিতি দেশকে সংঘাতের অতল গহবরে নিয়ে যাবে।
গত বুধবার যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসে বাংলাদেশের চলমান বিষয়ে নিয়ে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর উচিত বাংলাদেশে শান্তি, স্থিরতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করা।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের শক্তিশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও দিন দিন অগ্রগতির দিকে এগুচ্ছে।
বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ে তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছরে দেশটিতে দুর্নীতি, নির্যাতন, বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকদের গুম করার মতো বিষয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। দেশটির প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রভাবশালী নেতা এম ইলিয়াস আলীকে তার ড্রাইভারসহ অপহরণ করা হয়েছে প্রায় একবছরেরও বেশি সময় ধরে। এখনো তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটসের ২০১৩ সালের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, সার্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১২ সালের চাইতেও খারাপ। রিপোর্টে বলা হয়, দেশটির সরকার রাজনৈতিক দলের সাথে সংকীর্ণ আচরণ করছে এবং প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে কোন জবাবদিহীতা ছাড়াই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে। এছাড়া সরকার দেশটির যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর ত্রুটিপূর্ণ আইন ও কার্যপ্রণালী সংশোধনে হিউম্যান রাইটসের আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে।
ঢাকায় হেফাজতের অবরোধে হতাহতের ঘটনা প্রসংগে তিনি বলেন, ৬ মে রাতে বিরোধী দলের বিক্ষোভে সরকারের দমন অভিযানে প্রতিবাদকারী নিহত হওয়া আরেকটি মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা। সরকার বিরোধী বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের পর এ ঘটনা ঘটে।
ঐদিন রাতের অন্ধকারে ঠিক কত জন নিহত হয়েছিলো তা এখনো অজ্ঞাত রয়ে গেছে। কিন্তু এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন বলেছে, বিক্ষোভে গণহত্যা চালানো হয়। কোন নির্ভরযোগ্য সূত্র না পাওয়া স্বত্ত্বেও দি ইকোনোমিস্ট ম্যাগাজিনে বলা হয়, ৬ মে রাতে ঢাকায় যা ঘটেছিলো তা নৃশংস হত্যাকান্ড। বাংলাদেশের পুলিশ এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২২ বললেও দেশটির বিরোধী দল এ সংখ্যাটি ২০০০ বলে দাবি করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধের ইংগিত বহন করছে। বিষয়টি দেশটির গণতন্ত্রের জন্য হুমকি এবং এ পরিস্থিতি দেশকে সংঘাতের অতল গহবরে নিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, আমি এ বিষয়গুলোতে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আলোচনা তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে অবগত করেছি। এছাড়াও প্রয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথেও এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরা যেতে পারে।
গত বুধবার যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসে বাংলাদেশের চলমান বিষয়ে নিয়ে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর উচিত বাংলাদেশে শান্তি, স্থিরতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করা।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের শক্তিশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও দিন দিন অগ্রগতির দিকে এগুচ্ছে।
বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ে তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছরে দেশটিতে দুর্নীতি, নির্যাতন, বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকদের গুম করার মতো বিষয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। দেশটির প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রভাবশালী নেতা এম ইলিয়াস আলীকে তার ড্রাইভারসহ অপহরণ করা হয়েছে প্রায় একবছরেরও বেশি সময় ধরে। এখনো তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটসের ২০১৩ সালের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, সার্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১২ সালের চাইতেও খারাপ। রিপোর্টে বলা হয়, দেশটির সরকার রাজনৈতিক দলের সাথে সংকীর্ণ আচরণ করছে এবং প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে কোন জবাবদিহীতা ছাড়াই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে। এছাড়া সরকার দেশটির যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর ত্রুটিপূর্ণ আইন ও কার্যপ্রণালী সংশোধনে হিউম্যান রাইটসের আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে।
ঢাকায় হেফাজতের অবরোধে হতাহতের ঘটনা প্রসংগে তিনি বলেন, ৬ মে রাতে বিরোধী দলের বিক্ষোভে সরকারের দমন অভিযানে প্রতিবাদকারী নিহত হওয়া আরেকটি মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা। সরকার বিরোধী বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের পর এ ঘটনা ঘটে।
ঐদিন রাতের অন্ধকারে ঠিক কত জন নিহত হয়েছিলো তা এখনো অজ্ঞাত রয়ে গেছে। কিন্তু এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন বলেছে, বিক্ষোভে গণহত্যা চালানো হয়। কোন নির্ভরযোগ্য সূত্র না পাওয়া স্বত্ত্বেও দি ইকোনোমিস্ট ম্যাগাজিনে বলা হয়, ৬ মে রাতে ঢাকায় যা ঘটেছিলো তা নৃশংস হত্যাকান্ড। বাংলাদেশের পুলিশ এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২২ বললেও দেশটির বিরোধী দল এ সংখ্যাটি ২০০০ বলে দাবি করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধের ইংগিত বহন করছে। বিষয়টি দেশটির গণতন্ত্রের জন্য হুমকি এবং এ পরিস্থিতি দেশকে সংঘাতের অতল গহবরে নিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, আমি এ বিষয়গুলোতে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আলোচনা তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে অবগত করেছি। এছাড়াও প্রয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথেও এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরা যেতে পারে।




0 comments:
Post a Comment