এ খবর অন্য শ্রমিকদের কাছে ছড়িয়ে পড়লে তারা এ্যাডমিন কর্মকর্তা শাহিন, অনুপ ও সাইফুলের অপসারণসহ ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পুনরায় চাকরিতে বহালের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানায় ভাংচুর চালায় এবং নবীনগর-কালিয়াকৈর মহাসড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ৫টি গাড়ি ভাংচুর চালিয়ে অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ শ্রমিকদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
পরে পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ কারখানটি বন্ধ ঘোষণা করে।
এ ছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে কারখানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।




0 comments:
Post a Comment