স্টাফ রিপোর্টার: লন্ডনে কর্মী সভায় বক্তব্য দেয়ার পর বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আলোচনায় সরব সরকারি দলের নেতারা। তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশের পরদিন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা লন্ডনে বসে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনারও দাবি জানান সরকারি দলের এ নেতা। একই দাবি তুলেছেন আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম। এ বিষয়ে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদু। আজ সকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানকে আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক উল্লেখ করে তার বিষয়ে ভেবে চিন্তে কথা বলার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, সরকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান ও নাটক সাজাচ্ছে। তিনি আমাদের মাথার তাজ হয়ে আছেন। অচিরেই দেশে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন। দুদু বলেন, তারেক সাহেব একটি মিটিংয়ে কিছু কথা বলেছেন। এতেই সাপ দেখার মতো ভয় পেয়ে নাসিম সাহেবরা ষড়যন্ত্রের কথা বলছেন। আগামীকাল নির্বাচন হলে তারেক রহমান পরদিনই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। নাসিম সাহেবকে বলব, তার সম্পর্কে ভেবে চিন্তে কথা বলবেন। তিনি বলেন, নাসিম সাহেবের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সময়ের মামলা এখনো আছে। ১/১১ তে দুর্নীতির জন্য আদালত তাকে কারাদ-ও দিয়েছিল। অন্যদিকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিনের সরকার যেসব মিথ্যা মামলা করেছিল, আজ ৬ বছরের বেশি সময় পরও একটি মামলাও জায়েজ করতে পারেনি।
এদিকে সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম তারেক রহমান প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি ইন্টারপোলের মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তারেক রহমান প্যারোলে বিদেশ গিয়েছিলেন। এরপর ফিরেননি। তিনি আইনের চোখে একজন ফেরারি আসামি। তিনি সেখানে বসে দেশের রাজনীতি নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কথা বলছেন। একজন ফেরারি আসামি এভাবে কথা বলতে পারেন না। তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অন্য এক অনুষ্ঠানে বলেন, সরকার তারেক রহমানের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করবে না। তারেক রহমান অবশ্যই রাজনীতি করবেন। আমরা তা গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা দেবে না। আমরা কারও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করতে চাই না।
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, তারেক এ দেশের নাগরিক। এ দেশের রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক নেতাকে অবশ্যই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে। আর স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই রাজনীতি করতে পারবে। তারেক রহমানে প্রতি আহ্বান জানিয়ে সুরঞ্জিত বলেন, মানি লন্ডারিং মামলায় আপনি আত্মসমর্থন করুন, এরপর রাজনীতি করুন। অন্য একটি দেশে পলাতক থেকে নয়, দেশে এসে প্রকাশ্যে রাজনীতি করুন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদু। আজ সকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানকে আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক উল্লেখ করে তার বিষয়ে ভেবে চিন্তে কথা বলার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, সরকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান ও নাটক সাজাচ্ছে। তিনি আমাদের মাথার তাজ হয়ে আছেন। অচিরেই দেশে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন। দুদু বলেন, তারেক সাহেব একটি মিটিংয়ে কিছু কথা বলেছেন। এতেই সাপ দেখার মতো ভয় পেয়ে নাসিম সাহেবরা ষড়যন্ত্রের কথা বলছেন। আগামীকাল নির্বাচন হলে তারেক রহমান পরদিনই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। নাসিম সাহেবকে বলব, তার সম্পর্কে ভেবে চিন্তে কথা বলবেন। তিনি বলেন, নাসিম সাহেবের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সময়ের মামলা এখনো আছে। ১/১১ তে দুর্নীতির জন্য আদালত তাকে কারাদ-ও দিয়েছিল। অন্যদিকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিনের সরকার যেসব মিথ্যা মামলা করেছিল, আজ ৬ বছরের বেশি সময় পরও একটি মামলাও জায়েজ করতে পারেনি।
এদিকে সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম তারেক রহমান প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি ইন্টারপোলের মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তারেক রহমান প্যারোলে বিদেশ গিয়েছিলেন। এরপর ফিরেননি। তিনি আইনের চোখে একজন ফেরারি আসামি। তিনি সেখানে বসে দেশের রাজনীতি নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কথা বলছেন। একজন ফেরারি আসামি এভাবে কথা বলতে পারেন না। তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অন্য এক অনুষ্ঠানে বলেন, সরকার তারেক রহমানের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করবে না। তারেক রহমান অবশ্যই রাজনীতি করবেন। আমরা তা গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা দেবে না। আমরা কারও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করতে চাই না।
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, তারেক এ দেশের নাগরিক। এ দেশের রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক নেতাকে অবশ্যই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে। আর স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই রাজনীতি করতে পারবে। তারেক রহমানে প্রতি আহ্বান জানিয়ে সুরঞ্জিত বলেন, মানি লন্ডারিং মামলায় আপনি আত্মসমর্থন করুন, এরপর রাজনীতি করুন। অন্য একটি দেশে পলাতক থেকে নয়, দেশে এসে প্রকাশ্যে রাজনীতি করুন।




0 comments:
Post a Comment