২৩ শতাংশ নারী কর্মী বলেছেন তারা ভালই
আছেন এবং ৫৬ শতাংশ নারী কর্মী পুনরায় তাদের চুক্তি শেষ হওয়ার পরেও সেখানে
থাকতে চাইছেন। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের দূতাবাস না থাকায় এই সমস্যা প্রকট
বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। নেই কোন সেল্টার হোমের ভাল ব্যবস্থা। তাই লেবাননে
দ্রুত দূতাবাস খোলা ও মনিটরিং জোরদার এবং নারী কর্মীদের ভাষাগত প্রশিক্ষণের
সুপারিশ করা হয় গবেষণার প্রতিবেদনে। গতকাল রাজধানীর সেগুন রেস্টুরেন্টে
মিডিয়া ইনসিটিভ ফর পাবলিক পলিসি ও বাংলাদেশী অভিবাসী মহিলা শ্রমিক
এসোসিয়েশন (বমসা) যৌথ উদ্যোগে এক কর্মশালায় এই গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফল
প্রকাশ করা হয়।
‘এভভোকেসি ফর ফিমেল মাইগ্রেশন সিনারিয় ইন
লেবানন’ শীর্ষক এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ও
বমসার পরামর্শক ফরিদা ইয়াসমীন। মিডিয়া ইনসিটিভ ফর পাবলিক পলিসি’র সভাপতি
এপি’র সাংবাদিক ফরিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির
সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর
আহমেদ খান, বমসার পরিচালক সুরাইয়া ইসলাম, লিলি জাহান প্রমুখ। প্রধান অতিথির
বক্তব্যে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, যত বেশি শিক্ষার হার
বাড়বে বিদেশে আমাদের নারী কর্মীরা ততই কম নির্যাতনের শিকার হবেন। তিনি তার
অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিয়ে লেবার
হ্যান্ডলিং হবে না।
বিদেশে নারী কর্মী পাঠানোর বিষয়ে আমাদের
কিছু সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে হবে। সচিব ড. জাফর আহমেদ খান বলেন, সরকার
এখন নারী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। দেশ চিহ্নিত করে ওই
দেশের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।




0 comments:
Post a Comment