
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: নির্দলীয় সরকারের শর্ত মেনে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে সংলাপে অংশ
নিবে বিএনপি।দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু সংবাদ সম্মেলনে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যাতলয়ে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি একথা বলেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী যে কোনো সমস্যা সমাধানে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদের ভেতরে বা বাইরে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
আলোচনার জন্য বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের বিয়য়ে বিএনপি নেতাদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তারা নতুন বার্তা ডটকমকে সংলাপের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়ার আহ্বান জানান। তবে চলমান সমস্যার সমাধানে সংলাপের জন্য সরকারকে আন্তরিক হওয়ার কথা বলেন দলটির নেতারা।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে: জে: (অব: মাহবুবুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই। দেশের রাজনীতি আর গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে সংলাপের বিকল্প নেই। ঠিক এর উল্টো হলো, সংঘাত। কিন্তু বিএনপি সংঘাত নয়, সবসময় সংলাপের জন্য প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আগে তার দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংলাপের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা ছিল শুধু বলার জন্য বলা। আমরা আশা করবো, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান যেন সে রকম না হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক হলে সংলাপ সম্ভব, আর সংলাপের মূল এজেন্ডা হবে যে নামে হোক নির্দলীয় সরকার পুনর্বহাল। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা লিখিত প্রস্তাব চাইবো, তারা যদি সেভাবে প্রস্তাব দেয় তাহলে বিবেচনা করবো।”
দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য এমকে আনোয়ার বলেন, “আমাদের দাবি শুধূ প্রধানমন্ত্রী কেন সারাদেশের মানুষই জানে। তাই দাবি দাওয়া নিয়ে সংলাপের বসার আহ্বান জানানোর তো দরকার নেই। যে নামেই হোক নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আমাদের যে দাবি তা মেনে নিলে এর রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা যায়। কিন্তু সেজন্য ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে সিদ্ধান্ত আছে তা থেকে সরে আসতে হবে।”
‘সরকারের কাছ থেকে বিএনপি সংলাপের জন্য লিখিত প্রস্তাব চায় কিনা’ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তরিকভাবে আগে মৌখিক প্রস্তাব আসুক।বাকিটা পরে দেখা যাবে।”
সংবাদ সম্মেলনে দুদু এ প্রসঙ্গে বলেন, “কোন কোন বিষয়ে আলোচনা করতে চান, তার বিষয়বস্তু সুনিদিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করুন। পরে তা বিএনপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠালে আমরা সেই প্রস্তাব বিবেচনা করবো।”
তিনি বলেন, “আলোচনার কী দরকার ? কেয়ারটেকার সরকার পূর্ণবহাল করলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দিলে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হবে এবং আলোচনা ফলপ্রসু হবে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যাতলয়ে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি একথা বলেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী যে কোনো সমস্যা সমাধানে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদের ভেতরে বা বাইরে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
আলোচনার জন্য বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের বিয়য়ে বিএনপি নেতাদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তারা নতুন বার্তা ডটকমকে সংলাপের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়ার আহ্বান জানান। তবে চলমান সমস্যার সমাধানে সংলাপের জন্য সরকারকে আন্তরিক হওয়ার কথা বলেন দলটির নেতারা।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে: জে: (অব: মাহবুবুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই। দেশের রাজনীতি আর গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে সংলাপের বিকল্প নেই। ঠিক এর উল্টো হলো, সংঘাত। কিন্তু বিএনপি সংঘাত নয়, সবসময় সংলাপের জন্য প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আগে তার দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংলাপের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা ছিল শুধু বলার জন্য বলা। আমরা আশা করবো, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান যেন সে রকম না হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক হলে সংলাপ সম্ভব, আর সংলাপের মূল এজেন্ডা হবে যে নামে হোক নির্দলীয় সরকার পুনর্বহাল। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা লিখিত প্রস্তাব চাইবো, তারা যদি সেভাবে প্রস্তাব দেয় তাহলে বিবেচনা করবো।”
দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য এমকে আনোয়ার বলেন, “আমাদের দাবি শুধূ প্রধানমন্ত্রী কেন সারাদেশের মানুষই জানে। তাই দাবি দাওয়া নিয়ে সংলাপের বসার আহ্বান জানানোর তো দরকার নেই। যে নামেই হোক নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আমাদের যে দাবি তা মেনে নিলে এর রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা যায়। কিন্তু সেজন্য ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে সিদ্ধান্ত আছে তা থেকে সরে আসতে হবে।”
‘সরকারের কাছ থেকে বিএনপি সংলাপের জন্য লিখিত প্রস্তাব চায় কিনা’ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আন্তরিকভাবে আগে মৌখিক প্রস্তাব আসুক।বাকিটা পরে দেখা যাবে।”
সংবাদ সম্মেলনে দুদু এ প্রসঙ্গে বলেন, “কোন কোন বিষয়ে আলোচনা করতে চান, তার বিষয়বস্তু সুনিদিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করুন। পরে তা বিএনপির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠালে আমরা সেই প্রস্তাব বিবেচনা করবো।”
তিনি বলেন, “আলোচনার কী দরকার ? কেয়ারটেকার সরকার পূর্ণবহাল করলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তি দিলে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হবে এবং আলোচনা ফলপ্রসু হবে।”




0 comments:
Post a Comment