জেলা ডেস্ক
চট্টগ্রামে ডেমু ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।
তারা এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে নাজেহালও করেন। ১ ছাত্রলীগ কর্মী প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের জিহবা কেটে নেয়ার হুমকি দেন।
সাংবাদিকদের হুমকি-ধমকি দেয়া এসব নেতাকর্মীরা নগর আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছিরের অনুসারী হিসেবে চট্টগ্রামে পরিচিত।
ডেমু ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা উপলক্ষে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। এছাড়া বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমিন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান করে দেখা গেছে, অনুষ্ঠান চলাকালে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত আসনের পাশে অবস্থান নেন।
এ সময় তারা আ জ ম নাছিরের নামে দফায় দফায় শ্লোগান শুরু করলে অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। উপস্থিত সাংবাদিকদের কাজেও এতে ব্যাঘাত ঘটে।
সেখানে উপস্থিত একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সেখান থেকে সরে গিয়ে শ্লোগান দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তারা।
এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। তারা সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে উদ্যত হন।
পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন মঞ্চ থেকে নেমে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে দর্শক সারিতে থাকা আ জ ম নাছিরকে এসময় আসনে বসে থাকতে দেখা যায়। তিনি তার উচ্ছৃঙ্খল অনুসারীদের থামাতে কোন পদক্ষেপ নেননি।
এ দিকে আমিনুল ইসলাম আমিন চলে যাওয়ার পর ১ ছাত্রলীগ কর্মী এ সময় সাংবাদিকদের জিহবা কেটে নেওয়ার হুমকি দেন। আরও কয়েকজন কর্মী সাংবাদিকদের মারধরের হুমকি দেন।
এসব উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগ দেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হাসান মুরাদ বিপ্লব ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম লিমন। তারাও সাংবাদিকদের প্রকাশ্য হামলার হুমকি দেন।
এদিকে আ জ ম নাছির সমর্থিত শ্রমিক লীগের কর্মীরাও সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন আলোকচিত্রী সাংবাদিক এর প্রতিবাদ করেন।
এতে শ্রমিক লীগের কর্মীরা আলোকচিত্র সাংবাদিকদের মারার জন্য তেড়ে আসেন। তবে এক শ্রমিক লীগ নেতা এসময় কর্মীদের নিবৃত্ত করেন।




The brutality of the awamis and its associates has been exhibited by the attitude. Their behavior is undemocratic and anti-social and rude. During the 4 years and a half they showed much oppression over the opposition and other parties. They are intolerant and they are aggressive. They oppress the opposite parties with their might and muscle power.
ReplyDelete