ঢাকা : বিএনপিসহ জোটের শীর্ষ নেতাদের জামিন না মঞ্জুর হলে দু’দিনের হরতাল
দিতে পারে ১৮ দলীয় জোট। বিকেলে জোটের মহাসচিবদের বৈঠকের পর এ ঘোষণা আসতে
পারে।
আজ রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা
আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ শীর্ষ নেতাদের জামিন আবেদনের শুনানি রয়েছে।
এদিকে ১৮ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে বিকেল ৪টায়। ধারণা
করা হচ্ছে জোট নেতাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে আগামীকাল সোমবার ও
মঙ্গলবার ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে ওই বৈঠকের পর। গত ১৬
এপ্রিল ১৮ দলীয় জোটের মহাসচিবদের বৈঠকে দু’দিনের হরতাল নিয়ে আলোচনা হয়। তখন
শরীক দলের পক্ষ থেকে সোম ও মঙ্গলবার হরতাল দেওয়ার দাবি ওঠে। ওই বৈঠকের পর
১৮ এপ্রিল নয়াপল্টনে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। আজকের বৈঠকের পর হরতালের
কর্মসূচি আসতে পারে।
বিকেল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হবে।
গত ৭ এপ্রিল বিএনপির শীর্ষ নেতারা পৃথক ৭টি মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে
আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে আদালত এ আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে
পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জামিনের আবেদন করা নেতারা হলেন- দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি,
মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান,
যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী,
ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এমপি, যুবদলের সভাপতি
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
BNP is joking with nation. Please do not go for Hartley. Be a smart politician. Khaleda is to save her sons only and supporting Jamat, creating problem for general public.
ReplyDelete