২০০৭ সাল থেকে ইকামা ট্রান্সফার পদ্ধতি বন্ধ রেখেছে সৌদি সরকার। অথচ কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ভারত ও পাকিস্তান সৌদিতে তাদের শ্রমিকদের জন্য ইকামা ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করে নিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে তেমন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া হয়নি ফলে কর্মীরা আতঙ্কে আছেন।
এর মধ্যে গত ১৭ এপ্রিল সৌদি আরবের শ্রমমন্ত্রী আদেল আল-ফাকিহ জানান, দেশটিতে যেসব বিদেশি শ্রমিক অবৈধভাবে কাজ করছেন, তাদের ধরতে সরকার শিগগির নতুন অভিযান শুরু করবে।
তিনি জানান, নতুন আইন অনুযায়ী যদি কোনো ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের মালিক গোপনে অবৈধ শ্রমিক নিয়োগ দেন, তবে সেটিকে নিষিদ্ধ করা হবে। প্রত্যেক অবৈধ শ্রমিককে ২৬ হাজার ৭০০ ডলার (প্রায় ২০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা) জরিমানা বা দুই বছরের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
শ্রমবাজার সংস্কারের অংশ হিসেবে অবৈধ শ্রমিককে বের করে দিচ্ছে সৌদি সরকার। দেশটিতে এখন বেকারত্বের হার প্রায় ১২ শতাংশ। সরকার চাইছে, অবৈধ শ্রমিকদের বের করে দিয়ে বেকার নাগরিকদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পদক্ষেপ জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ বলেন, ‘সৌদির আইন অনুসারে সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনস্যুলারকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এর পরেও যদি কোনো শ্রমিককে দেশে ফেরত আসতে হয় তাহলে বিষয়টি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্যই ইতিবাচকই হবে। এরপর কারণ সৌদি শ্রমবাজারে বাংলাদেশ নিয়মের ভেতরে থেকে অধিকহারে শ্রমশক্তি রপ্তানির সুযোগ পাবে।’
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরদারিতে রয়েছে।’
তিনি জানান, সমস্যার জন্ম হয়েছে ২০১০ সালে সৌদি সরকারে একটি সিদ্ধান্তের কারণে। সৌদি নাগরিকদের কর্মমুখী করতে সে সময় সরকার যে কোনো কারখানায় ২০ শতাংশ সৌদি নাগরিক থাকা বাধ্যতামূলক করে দেয়। এর ব্যতিক্রম হলে সে প্রতিষ্ঠানটি রেড কেটাগরিতে পড়ে যাবে। আর রেড ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের ইকামা ট্রান্সফার বন্ধ করে দেয় সে দেশের সরকার। বাংলাদেশি শ্রমিকরা বেশিরভাগই রেড ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় এরা ইকামা নবায়ন করতে পারছেন না। ফলে তারা দিন দিন অধিকহারে অবৈধ তালিকায় পড়ে যাচ্ছে।
সৌদিতে কর্মরত তারেক জামান তাজা নিউজের কাছে যে লেখাটি পাঠিয়েছে তা হুবহু আপানাদের জন্য দেয়া হল।একজন মানুষ কত কস্টে থাকলে এই হ্রদয় গ্রাহী লেখাটি লেখতে পারে
""দাম্মাম সাউদি থেকেঃ আমি আমার এই লেখের মাধমে আমাদের সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই , আপনারা হইত পেপার পএ মারফত জানত পেরেছেন যে সাউদি বাদশা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযিয সাউদি তে করমরত সকল বিদেশি নাগরিক যারা এক মালিক এর নাম এ আসে এবং অন্ন মালিক এর কাজ করে আর যারা অবইদ তাদের জন্য তিন মাসের সুজগ প্রদান করিয়াছেন কিন্ত এই সুজগ সবার জন্য হলে ও আমরা যারা বাংলাদেশী আছি কেবল আমরাই এর অন্তরবুক্ত নই কারন আমরা বাংলাদেশী বলে,যখন এই রকম খবর শুনি তকন অনেক বেশি মরমাহত হই, আমরা
ছাড়া অন্ন দেশের সকল এ এই সুেযাগ নেয়া তাদের শবার ওয়রকপারমিট বইদ করছে কিত্নু আমরা কিছু এ করতে পারছি না এবং এর জন্য আমাদের সরকারের তরফ থেকে কোন তথপরতা দেকছি না, কিন্তু আমরা কাগজে কলমে প্রবাসীদের অনেক কথা বলি অনেক শুনাম করি পারিনা তাদের চাদের টিকেট দিতে আহ খবর এর কাগজে কত কথার
ফুলজুরি কিন্তু তার কোন প্রতিফলন নাই. দুনিয়াটা আসলে অনেক কঠিন কার কথা ভাবার মত সময় আমাদের কাছে নাই, আপনারা যারা দেশ পরিচালনা করেন তারা কি একটি বার আমাদের কথা ভেবে দেকেছেন আমরা কত কষ্ট না করি, আমরা ত অনেক কিছুই থেকেই বন্চিত হই না পারি েছাট েবানের বিয়েতে যেতে না পারি প্রিয় জনের কবরে এক মুঠু মাটি দিতে,না আমরা কিছুই পারিনা আমরা সব কিছু থেকেই বন্চিত।আমাদের এক আল্লাহ ছাড়া এই বিদেশের মাটিতে কেউ নেই। আমাদের এক জনের সাথে সবার হাসি কান্না জড়িত।আমিই আমার পরিবারের উপার্যন করা ব্যাক্তি।আমি যখন আমার এই চাকরিটা হারাব তখন আমার এই ভাই েবান মা বাবার সংসারটির কি হবে।যাক অনেক কথাই বললাম আজ আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে আমি আমার কথাটি শেষ করছি আসলেই কি আপনারা আমাদের জন্য কিছু করতে পারবেন নাকি শুধু আমাদের ঘামে ঝরা রেমিটেন্সের টাকাই খেয়ে যাবেন??প্লিজ আমাদেরকে ব্যাকার অবস্থায় এই দেশে আনবেন না।না পারলে আমাদের কে মেরে ফেলতে বলুন তবু ও পরিবারের কস্ট এই অভাগা দুই েচাখ দিয়ে দেখতে পারবনা""
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অর্জিত রেমিটেন্সের ৪০ শতাংশ এসে থাকে সৌদি আরব থেকে।




আমরা বাংগালীরা অনেক শয়তান।শুধু নিজের আখের েগাচাই
ReplyDelete