যেসব এলাকায় আওয়ামী লীগের সংগঠন শক্তিশালী ও কর্মীরা সংগঠিত নয়, সে সব এলাকায়ই সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা বেশি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সুত্র জানায়, সভায় শেখ হাসিনা বলেছেন বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হলে সংগঠনকে সংহত ও কর্মীদের সংগঠিত করতে হবে। সংগঠন শক্তিশালী না হলে সহিংসতা মোকাবেলা করা যাবে না।
যেসব জায়গায় সংগঠন সুসংগঠিত নেই সেসব জায়গায় সহিংসতা হচ্ছে ও ষড়যন্ত্রকারীরা সমস্যা করছে। নিজেদের এলাকা ঠিক রাখা না গেলে বিশৃঙ্খলা মোকাবেলা করা কঠিন।
যাদের এলাকায় সংগঠন সুসংহত নেই তারা সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়।
যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্যই বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী দলীয় এমপিদের নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে এলাকার সঙ্গে যোযাযোগ বাড়াতে বলেছেন।
সুত্র আরো জানায়, সভায় শেখ হাসিনা দলের এমপিদের আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস ভালোভাবে জানার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাকশালের ব্যাপারে এখনো অপপ্রচার ও ভুল ব্যাখা দেওয়া হচ্ছে। বাকশাল ছিলো একটি অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা। এক দল নয়, সব দলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু বাকশাল করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু বাকশালকে স্থায়ী রূপ দেননি, তিনি অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য এটা করেছিলেন।
এদিকে সুত্র আরো জানায়, “সংসদীয় দলের সভায় আব্দুল হামিদকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন সর্বসন্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর শেখ হাসিনা সভায় বলেন, তিনি রাজনীতিতে অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও যোগ্য নেতা। তিনি মাঠ পর্যায় থেকে উঠে এসেছেন। ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ ধরনের একজন যোগ্য লোককেই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিতে হয়। তাই স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেটকেই আমরা মনোনয়ন দিলাম।”
একজন যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসন্মতিক্রমে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দলীয় সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন সংসদ সদস্যদের সকলকে অধিবেশনে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে সভায় সংসদ উপনেতা সৈয়দ সাজেদা চৌধুরী তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেছেন, “আমার অনেক বয়ষ হয়েছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। দল থেকে আমি বিদায় নিতে চাই। কবে মারা যাই, আর দেখা নাও হতে পারে।”
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান মারা যাওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আব্দুল হামিদ ছাড়াও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নামও আলোচনায় ছিলো।
সভায় স্পিকার নির্বাচনের বিষয় নিয়ে কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থামিয়ে দিয়ে বলেন, পরে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। স্পিকার একটি সাংবিধানিক পদ। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এখনো স্পিকার। ২৯ এপ্রিল নির্বাচন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী সভায় জানিয়েছেন।
জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ নেতা শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।




0 comments:
Post a Comment