রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে উদ্ধার অভিযান শেষ করে ভারী যন্ত্রের ব্যবহার শুরু করে।
সাভারে ভবন ধসের ১১০ ঘণ্টা পর ভারী সরঞ্জামের মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপ সরানো শুরু করার মধ্য দিয়ে কার্যত শেষ হযেছে জীবিতদের সন্ধান।
দ্বিতীয় পর্যায়ের এই উদ্ধারকাজে দুটি হাইড্রোলিক ক্রেন দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়। প্রথমেই একটি ক্রেন দিয়ে সরানো হয় প্রায় অর্ধেক দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিলার।
জীবিতদের উদ্ধারের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় এর আগে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয়নি। যদিও তা কয়েকদিন আগেই আনা হয়েছিল।
রাতে ভবনটির চতুর্থ তলা থেকে শাহানা নামের এক মহিলাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আগুন ধরে যায়। এ সময় চার উদ্ধারকারী অগ্নিদগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে অগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সুড়ঙ্গ দিয়ে তা বিভিন্ন ফ্লোরে ছড়িয়ে যায়। এ সময় দমকল বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সকালেও সেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হাসান ও ক্যাপ্টেন আশরাফ জানান, শাহানা জীবিত না মৃত তা বোঝা যাচ্ছে না। তাকে উদ্ধার করার সময়ই আগুন ধরে যায়।
এ সময় উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে বের হয়ে আসেন। তবে শাহানাকে বের করা সম্ভব হয়নি। রড কাটার সময় অগুনের স্ফূলিঙ্গ কারখানার কাপড়ের স্তূপে পড়লে তাতে আগুন ধরে যায়।




0 comments:
Post a Comment