
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: ‘হরতাল সমর্থকরা বিল্ডিং ধরে নাড়াচাড়া করেছে, সেজন্য ভবন ধস হতে
পারে’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহমেদ। তিনি
বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার এই বক্তব্যের জন্য ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে
থাকবেন। আর ধাক্কা দিয়ে যদি ইমারত ফেলে দেয়া যায়, তাহলে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে
ধাক্কা দিলে সরকারও খান খান হয়ে যাবে।”
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: নাগরিক সংলাপ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। দৈনিক আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমান সংহতি পরিষদ এর আয়োজন করে।এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ।
কাজী জাফর বলেন, “বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদী রাজত্ব চলছে। সরকারের আচরণকে স্বাভাবিকভাবে দেখলে হবে না, তারা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে এমন আচরণ করছে।তাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত এটা পরিবর্তন হবে না।”
সরকার অত্যন্ত দুর্বল এবং দিশেহারা হয়ে গেছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন জনগণের ওপর ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে।”
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাভারের ট্রাজেডি, মাহদুদুর রহমানের গ্রেফতার, আমার দেশ বন্ধ, বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার ও ডাণ্ডাবেড়ী পরানো একই সূত্রে গাথা। তাই গোলটেবিল আর আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, সরকারের পদত্যাগ না পর্য ন্ত আন্দোলন থামানো যাবে না।”
সাভারে যুবলীগ নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের জমি দখল করে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ভবন নির্মাণ করেছেন এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যুবলীগ নেতাকে অস্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেয়া তাদের পূর্ব পরিচিত স্বভাব। তারা সবসময় অপরাধীকে আড়াল করতে চায়, যেমনটা বিশ্বজিতের হত্যার সময় বলেছিল। আর এখন বলছেন আমার কাছে সাভারের যুবলীগের তালিকা আছে, সেখানে তার নাম নেই। এতে আমরা স্বম্ভিত হই।”
‘দেশের ৯০ ভাগ ভবন নিয়মনীতি না মেনে নির্মাণ করা হয়’ প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ক্ষমতার মসনদে বসে তার এমন বক্তব্যের পর যারা বেআইনিভাবে ইমারত নির্মাণ করেন তারা সাংবিধানিক ক্ষমতা পেয়ে যাবেন। আসলে প্রধানমন্ত্রী যুবলীগ নেতাকে আড়াল করতে এমন বক্তব্য দিয়েছেন।”
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “সরকার আদালতকে ব্যবহার করে একদিকে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কারাগারে নিচ্ছে আর অন্যদিকে আন্দোলন স্তব্ধ করে দিতে চায়। তাই সভা-সেমিনারে বসে হবে না, মাহমুদুর রহমানসহ সব নেতাকর্মীর মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ বলেন, “বর্তমান সরকার দুর্বল নয়, তবে নার্ভাস হয়ে গেছে। তারা আইনের অপব্যবহার করছে। আমরা সরকারকে এটা বন্ধ করার আহ্বান জানাবো।”
‘সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে’ এমন মন্তব্য করে তার মুক্তি দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা।
এতে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আনোয়ারুল্লাহ চৌ্ধুরী, কলামিস্ট ফরহাদ মাজহার, দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি আফম ইউসুফ হায়দার, ঢাবির শিক্ষক অধ্যাপক সদরুল আমিন, তাজমেরী এস ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তারেক শামসুর রহমান, সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া, শাম্মি আখতার প্রমুখ।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: নাগরিক সংলাপ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। দৈনিক আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমান সংহতি পরিষদ এর আয়োজন করে।এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ।
কাজী জাফর বলেন, “বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদী রাজত্ব চলছে। সরকারের আচরণকে স্বাভাবিকভাবে দেখলে হবে না, তারা গণবিচ্ছিন্ন হয়ে এমন আচরণ করছে।তাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত এটা পরিবর্তন হবে না।”
সরকার অত্যন্ত দুর্বল এবং দিশেহারা হয়ে গেছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন জনগণের ওপর ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে।”
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাভারের ট্রাজেডি, মাহদুদুর রহমানের গ্রেফতার, আমার দেশ বন্ধ, বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার ও ডাণ্ডাবেড়ী পরানো একই সূত্রে গাথা। তাই গোলটেবিল আর আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, সরকারের পদত্যাগ না পর্য ন্ত আন্দোলন থামানো যাবে না।”
সাভারে যুবলীগ নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের জমি দখল করে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ভবন নির্মাণ করেছেন এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, “যুবলীগ নেতাকে অস্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেয়া তাদের পূর্ব পরিচিত স্বভাব। তারা সবসময় অপরাধীকে আড়াল করতে চায়, যেমনটা বিশ্বজিতের হত্যার সময় বলেছিল। আর এখন বলছেন আমার কাছে সাভারের যুবলীগের তালিকা আছে, সেখানে তার নাম নেই। এতে আমরা স্বম্ভিত হই।”
‘দেশের ৯০ ভাগ ভবন নিয়মনীতি না মেনে নির্মাণ করা হয়’ প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ক্ষমতার মসনদে বসে তার এমন বক্তব্যের পর যারা বেআইনিভাবে ইমারত নির্মাণ করেন তারা সাংবিধানিক ক্ষমতা পেয়ে যাবেন। আসলে প্রধানমন্ত্রী যুবলীগ নেতাকে আড়াল করতে এমন বক্তব্য দিয়েছেন।”
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “সরকার আদালতকে ব্যবহার করে একদিকে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কারাগারে নিচ্ছে আর অন্যদিকে আন্দোলন স্তব্ধ করে দিতে চায়। তাই সভা-সেমিনারে বসে হবে না, মাহমুদুর রহমানসহ সব নেতাকর্মীর মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ বলেন, “বর্তমান সরকার দুর্বল নয়, তবে নার্ভাস হয়ে গেছে। তারা আইনের অপব্যবহার করছে। আমরা সরকারকে এটা বন্ধ করার আহ্বান জানাবো।”
‘সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে’ এমন মন্তব্য করে তার মুক্তি দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা।
এতে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আনোয়ারুল্লাহ চৌ্ধুরী, কলামিস্ট ফরহাদ মাজহার, দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি আফম ইউসুফ হায়দার, ঢাবির শিক্ষক অধ্যাপক সদরুল আমিন, তাজমেরী এস ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তারেক শামসুর রহমান, সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া, শাম্মি আখতার প্রমুখ।




0 comments:
Post a Comment