শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
দুই পক্ষের এ সংঘর্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। হেফাজতের নেতাকর্মীরা এক পর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায়। এ হামলায় পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে, হেফাজতের নেতাকর্মীদের একটি অংশ গাজী শের-এ-বাংলা সড়কে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়িতে হামলা চালায় নেতাকর্মীরা।
হেফাজতকর্মীরা জানায়, হাটহাজারীর জমিয়তে সালাহ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা জামাল উদ্দিন আল কাদেরির পায়ে চুমু দেয়ার ঘটনায় সেখানে উপস্থিত হেফাজতের সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা জামাল উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার জের ধরে হাটহাজারীতে হেফাজতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে হেফাজতের নেতা আহমদ শফীকে ইহুদি নাসারা আখ্যা দেয়ায় আহলে সুন্নাতের লোকজনের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল হেফাজতের নেতাকর্মীরা।




0 comments:
Post a Comment