নিজস্ব প্রতিবেদক
তাজা নিউজ
ঢাকা: পদ্মা সেতুর দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রে রয়েছে, এসএনসি লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহার ডায়েরি। এ ডায়েরিতে প্রতিষ্ঠানটিকে পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দেয়ার বিনিময়ে সম্ভাব্য ঘুষ বন্টনের তালিকায় আরো অনেকের সঙ্গে রয়েছে ড. মশিউর রহমান আর সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম। এ তথ্য পদ্মা সেতুর দুর্নীতি মামলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পদ্মা সেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলার মূল আলামত এসএনসি লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহার ডায়েরি, যেটি এখন আছে কানাডা আদালতের হাতে। গত নভেম্বরের ৯ তারিখ রমেশের ডায়েরি নিয়ে ২৫ পাতার একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংক। এটির ৫ নম্বর পাতায় দেয়া হয়েছে পরামর্শকের কাজ পাওয়ার জন্য দশ শতাংশ ঘুষের খসড়া হিসাব। যাতে মশি রহমান ১%, মিন ৪%, কায়সার ২%, নিক্সন ২% এবং ১% সেকরেটারি নামে ঘুষের বরাদ্দ করা হয়েছিল।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, মশি রহমান বলতে বোঝানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানকে। মিন বোঝানো হয়েছে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। কায়সার মানে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী। কায়সার নিক্সন মানে চিফ হুইপ নুরে আলম চৌধুরীর ভাই মুজিবুর রহমান নিক্সন। সেক্রেটারি মানে সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন এই ডায়েরির তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছে। কানাডা থেকে এসব তথ্য আনতে যাওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে। ডায়েরির তথ্য পাওয়া গেলে পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার তথ্য বাড়তে পারে বলে জানায় দুদক।
ঢাকা: পদ্মা সেতুর দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রে রয়েছে, এসএনসি লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহার ডায়েরি। এ ডায়েরিতে প্রতিষ্ঠানটিকে পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দেয়ার বিনিময়ে সম্ভাব্য ঘুষ বন্টনের তালিকায় আরো অনেকের সঙ্গে রয়েছে ড. মশিউর রহমান আর সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম। এ তথ্য পদ্মা সেতুর দুর্নীতি মামলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পদ্মা সেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলার মূল আলামত এসএনসি লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহার ডায়েরি, যেটি এখন আছে কানাডা আদালতের হাতে। গত নভেম্বরের ৯ তারিখ রমেশের ডায়েরি নিয়ে ২৫ পাতার একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংক। এটির ৫ নম্বর পাতায় দেয়া হয়েছে পরামর্শকের কাজ পাওয়ার জন্য দশ শতাংশ ঘুষের খসড়া হিসাব। যাতে মশি রহমান ১%, মিন ৪%, কায়সার ২%, নিক্সন ২% এবং ১% সেকরেটারি নামে ঘুষের বরাদ্দ করা হয়েছিল।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, মশি রহমান বলতে বোঝানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানকে। মিন বোঝানো হয়েছে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। কায়সার মানে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী। কায়সার নিক্সন মানে চিফ হুইপ নুরে আলম চৌধুরীর ভাই মুজিবুর রহমান নিক্সন। সেক্রেটারি মানে সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।
ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন এই ডায়েরির তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছে। কানাডা থেকে এসব তথ্য আনতে যাওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে। ডায়েরির তথ্য পাওয়া গেলে পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার তথ্য বাড়তে পারে বলে জানায় দুদক।





ReplyDeleteবাবা যত পারিস খেয়ে নেয় এইত সময়