মিশরের চলমান পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক অচলাবস্থা’ মন্তব্য করে
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সব পক্ষের
প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
মিশরে বিদেশি মধ্যস্থতা ব্যর্থ হয়েছে বলে সেনা সমর্থিত সরকার মন্তব্য করার পর দেশটিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের ওপর গণহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই এই আহ্বান জানানো হলো।
এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং ইইউ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাস্টন বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল। এর ফলে মিশরে শুধু আরো রক্তপাত এবং বিভক্তির ঝুকি রয়েছে তাই নয়, এতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের চেষ্টাও বাধাগ্রস্ত হবে।’
গণহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই মুরসির সমর্থকরা কায়রোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির নিরাপত্তায় বালির বস্তা এবং ইটের ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করছে। এটা তাদের অনমনীয় অঙ্গীকারকেই তুলে ধরছে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মনসুর ঈদের প্রাক্কালে দেয়া বিবৃতিতে মিশরের চলমান অবস্থাকে সঙ্কটময় বলে মন্তব্য করে আগামী ৯ মাসের মধ্যেই নির্বাচন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মিশরে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
মনসুর বলেন, ‘ভবিষ্যতে ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে। প্রত্যেককে এই মুহূর্তটির কথা অনুধাবন করতে হবে এবং এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। যারা মুহূর্তটি বুঝতে ব্যর্থ হবে তাদেরকে তাদের সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হবে।’
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে জনবহুল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশটির সঙ্কট নিরসনে কয়েকদিন দৌড়ঝাপ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস দেশে ফিরে গেছেন। তবে ইইউ’র রাষ্ট্রদূত বার্নারদিনো লিও সরকার ও মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে একটি সমঝোতার প্রচেষ্টায় কায়রো অবস্থান করছেন।
মিশরের ইতিহাসে প্রথম অবাধ নির্বাচনে জয়ী প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতায় আসার এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে গত ৩ জুলাই বিক্ষোভের অজুহাত দেখিয়ে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি ও তার রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের বহু নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মিশরের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হাজেম এল-বেবলাউই হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি টানতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‘চূড়ান্ত শক্তি এবং সিদ্ধান্ত’ নিয়ে এটা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ব্রাদারহুডের মুখপাত্র গেহাদ আল-হাদ্দাদ এই হুমকি সম্পর্কে বলেছেন, ‘এর অর্থ তারা আরো বড় ধরনের গণহত্যার জন্য তৈরি হচ্ছে। তাদের ইতিবাচক বার্তা পাঠানো উচিত, তাজা বুলেট নয়।’
মুরসিকে উৎখাতের পর থেকেই চরম রাজনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়েছে মিশর। মুরসি সমর্থকরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। কায়রোর তিনটি স্থানে মুরসি সমর্থকরা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় রাজধানী শহর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় নিরস্ত্র মুরসি সমর্থকদের ওপর দু’দফা গণহত্যা চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। এতে প্রায় ৩০০ লোক নিহত হয়। কিন্তু এরপরও মনোবল ভাঙ্গেনি মুরসি সমর্থক ও ব্রাদারহুড কর্মীদের। তারা অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।
মিশরে বিদেশি মধ্যস্থতা ব্যর্থ হয়েছে বলে সেনা সমর্থিত সরকার মন্তব্য করার পর দেশটিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের ওপর গণহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই এই আহ্বান জানানো হলো।
এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং ইইউ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাস্টন বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল। এর ফলে মিশরে শুধু আরো রক্তপাত এবং বিভক্তির ঝুকি রয়েছে তাই নয়, এতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের চেষ্টাও বাধাগ্রস্ত হবে।’
গণহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই মুরসির সমর্থকরা কায়রোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির নিরাপত্তায় বালির বস্তা এবং ইটের ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করছে। এটা তাদের অনমনীয় অঙ্গীকারকেই তুলে ধরছে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মনসুর ঈদের প্রাক্কালে দেয়া বিবৃতিতে মিশরের চলমান অবস্থাকে সঙ্কটময় বলে মন্তব্য করে আগামী ৯ মাসের মধ্যেই নির্বাচন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মিশরে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
মনসুর বলেন, ‘ভবিষ্যতে ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে। প্রত্যেককে এই মুহূর্তটির কথা অনুধাবন করতে হবে এবং এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। যারা মুহূর্তটি বুঝতে ব্যর্থ হবে তাদেরকে তাদের সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হবে।’
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে জনবহুল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশটির সঙ্কট নিরসনে কয়েকদিন দৌড়ঝাপ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম বার্নস দেশে ফিরে গেছেন। তবে ইইউ’র রাষ্ট্রদূত বার্নারদিনো লিও সরকার ও মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যে একটি সমঝোতার প্রচেষ্টায় কায়রো অবস্থান করছেন।
মিশরের ইতিহাসে প্রথম অবাধ নির্বাচনে জয়ী প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতায় আসার এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে গত ৩ জুলাই বিক্ষোভের অজুহাত দেখিয়ে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। এরপর মুরসি ও তার রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের বহু নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মিশরের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হাজেম এল-বেবলাউই হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি টানতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‘চূড়ান্ত শক্তি এবং সিদ্ধান্ত’ নিয়ে এটা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ব্রাদারহুডের মুখপাত্র গেহাদ আল-হাদ্দাদ এই হুমকি সম্পর্কে বলেছেন, ‘এর অর্থ তারা আরো বড় ধরনের গণহত্যার জন্য তৈরি হচ্ছে। তাদের ইতিবাচক বার্তা পাঠানো উচিত, তাজা বুলেট নয়।’
মুরসিকে উৎখাতের পর থেকেই চরম রাজনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়েছে মিশর। মুরসি সমর্থকরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। কায়রোর তিনটি স্থানে মুরসি সমর্থকরা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় রাজধানী শহর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় নিরস্ত্র মুরসি সমর্থকদের ওপর দু’দফা গণহত্যা চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। এতে প্রায় ৩০০ লোক নিহত হয়। কিন্তু এরপরও মনোবল ভাঙ্গেনি মুরসি সমর্থক ও ব্রাদারহুড কর্মীদের। তারা অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।





0 comments:
Post a Comment