সাবেক এক শিবিরকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে সংগঠনটির
নেতাকর্মীরা সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় সংঘর্ষে ১২
পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।
বুধবার রাত ৮টার দিকে শিবিরকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপাকে পড়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।
জানা গেছে, বড় দারোগার হাটে সন্ধ্যায় বাজার করতে গেলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী আবদুল্লাহ আল রাসেলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত রাসেল সীতাকুণ্ড উপজেলার উত্তর ফেদাইনগর গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে।
রাসেলে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিবিরকর্মীরা বড় দারোগার হাটে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
এক পর্যায়ে সীতাকুণ্ড সদরে কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ শিবিরকর্মীরা। এরপর তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করলে মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। এতে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো যাত্রীরা পড়ে দুর্ভোগে।
এরপর পুলিশ শিবিরকর্মীদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১২ পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে সংঘর্ষ থেমে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিউল আলম জানান, পুলিশ শিবিরকর্মীদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে যান চলাচল শুরু হয়।
বুধবার রাত ৮টার দিকে শিবিরকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপাকে পড়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।
জানা গেছে, বড় দারোগার হাটে সন্ধ্যায় বাজার করতে গেলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী আবদুল্লাহ আল রাসেলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত রাসেল সীতাকুণ্ড উপজেলার উত্তর ফেদাইনগর গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে।
রাসেলে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিবিরকর্মীরা বড় দারোগার হাটে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
এক পর্যায়ে সীতাকুণ্ড সদরে কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ শিবিরকর্মীরা। এরপর তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করলে মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। এতে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো যাত্রীরা পড়ে দুর্ভোগে।
এরপর পুলিশ শিবিরকর্মীদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১২ পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে সংঘর্ষ থেমে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিউল আলম জানান, পুলিশ শিবিরকর্মীদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে যান চলাচল শুরু হয়।





0 comments:
Post a Comment