ঢাকা: মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে বাসের সঙ্গে জিপের সংঘর্ষে
বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য হেমায়াতউল্লাহ আওরঙ্গ ও
অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় দুই নেতাসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন
আরও ১৫ জন।
শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের লৌহজংয়ের মেদিনীমণ্ডল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সাবেক এমপি হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গ, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক এসএম নরুজ্জামান জামান (৪২), স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুন্সী জামাল উদ্দিন (৪৯), শরীয়তপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রতন তালুকদার(৩৫), স্বেচ্ছাসেবক দল স্থানীয় নেতা নুর উদ্দিন (২৮) ও যুবদলের ইয়াছিন আলী (৫০)।
এমপির জিপে থাকা গুরুতর আহত অপর তিনজনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।
শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, শরিয়তপুরে একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেয়ার জন্য বিকেলে ঢাকার কলাবাগান বাসা থেকে পাজেরো জিপ নিয়ে রওনা দেন সাবেক এমপি হেমায়েতউল্লাহ। এ সময় তার গাড়িতে কেন্দ্রীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ সাতজন ছিলেন। জিপটি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মেদিনীমণ্ডলে পৌঁছলে বিপরীতমুখী গাংচিল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জিপটির ব্যাপক ক্ষতি হয়।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই এমপি হেমায়েতউল্লাহ, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাসহ চারজনের মৃত্যু হয়। এসময় এমপির সঙ্গে থাকা বাকিরা গুরুত্বর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ঢাকায় নেয়া হয়েছে। পরে অপর দুই জন মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনায় আরও আহত ১২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
লৌহজংয়ের মাওয়া ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজ জানান, এমপি হেমায়েতউল্লাহ, মুন্সী জামাল উদ্দিন, ইয়াসিন ও রতন তালুকদারের মৃতদেহ থানায় রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০০১ সালে হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গ শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
এদিকে, দুর্ঘটনায় সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাতে এ বিবৃতি দেয়া হয়েছে। এতে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
>>banglamail24 <<
শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের লৌহজংয়ের মেদিনীমণ্ডল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সাবেক এমপি হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গ, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক এসএম নরুজ্জামান জামান (৪২), স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুন্সী জামাল উদ্দিন (৪৯), শরীয়তপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রতন তালুকদার(৩৫), স্বেচ্ছাসেবক দল স্থানীয় নেতা নুর উদ্দিন (২৮) ও যুবদলের ইয়াছিন আলী (৫০)।
এমপির জিপে থাকা গুরুতর আহত অপর তিনজনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।
শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, শরিয়তপুরে একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেয়ার জন্য বিকেলে ঢাকার কলাবাগান বাসা থেকে পাজেরো জিপ নিয়ে রওনা দেন সাবেক এমপি হেমায়েতউল্লাহ। এ সময় তার গাড়িতে কেন্দ্রীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ সাতজন ছিলেন। জিপটি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মেদিনীমণ্ডলে পৌঁছলে বিপরীতমুখী গাংচিল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জিপটির ব্যাপক ক্ষতি হয়।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই এমপি হেমায়েতউল্লাহ, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাসহ চারজনের মৃত্যু হয়। এসময় এমপির সঙ্গে থাকা বাকিরা গুরুত্বর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ঢাকায় নেয়া হয়েছে। পরে অপর দুই জন মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনায় আরও আহত ১২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
লৌহজংয়ের মাওয়া ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজ জানান, এমপি হেমায়েতউল্লাহ, মুন্সী জামাল উদ্দিন, ইয়াসিন ও রতন তালুকদারের মৃতদেহ থানায় রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০০১ সালে হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গ শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
এদিকে, দুর্ঘটনায় সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাতে এ বিবৃতি দেয়া হয়েছে। এতে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
>>banglamail24 <<





0 comments:
Post a Comment