যুক্তরাষ্ট্রের বহুল প্রচারিত দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
অবশ্য এ তথ্য দৈনিকটির নিজস্ব নয়। বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই থেকে তারা জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরতাল দেশের জন্য ক্ষতিকর হলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়। কারণ দলটি মনে করে বিরোধী দলে গেলে তাদেরও হরতাল ডাকা লাগতে পারে এবং আগামী নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।
তবে হরতালের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ যে রেকর্ড গড়েছে সেই হিসাবও তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, এর আগে বিরোধী দলে থাকার সময় এক টার্মেই আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল ডেকেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর একই সময় ২৯ দিন এবং ২০১১ সালে ১৭ দিন হরতাল ডাকা হয়। হরতালে গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘হরতাল আমাদের শেষ করে দিচ্ছে।’
‘কালচার অব মাস স্ট্রাইক সাফোকেটস বাংলাদেশ’স ইকোনমি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় সামনের দিনগুলোতে হরতাল পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। এর আগে বিতর্কিত যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সাজা দিলে তার প্রতিবাদে বেশিরভাগ হরতাল ডাকা হয়। এই ট্রাইব্যুনাল পুরনো ক্ষতকেই জাগিয়ে তুলেছে।
হরতালের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, সংবিধানে মত প্রকাশের এবং প্রতিবাদের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। কাজেই আমি হরতাল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, হরতাল নিষিদ্ধ করার দাবির পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের উচিৎ কেন হরতাল দেয়া হয় তার কারণ বোঝার চেষ্টা করা এবং এ থেকে উত্তরণের পথ কি সে ব্যাপারে কথা বলা।




0 comments:
Post a Comment