এছাড়া যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে জেলগেট থেকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।
আদালতে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায়।
যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের পক্ষে শুনানিতে অংশ নে সিনিয়র আইনজীবী জয়নাল অবেদিন।
যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অযথা হয়রানী ও গ্রেফতার না করা হয় এজন্য হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন সালাউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার রিট শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বের হওয়ার সময় সাদা পোশাকধারী পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সালাউদ্দিনকে গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বিরোধী দলের বিভিন্ন হরতালের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়া ও গাড়ি ভাংচুরের বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়, যদিও তিনি ঐ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন না। এরপর সালাউদ্দিন আহমেদ জামিনের জন্য নিম্ন আদালতে আবেদন করেন কিন্তু নিম্ন আদালত তাকে জামিন না দিলেও হাইকোর্ট ১৩ মে তাকে জামিন দেন। জামিন পেয়ে তিনি বের হওয়ার সময় পুলিশ আবার তাকে জেলগেট থেকে গ্রেফতার করে। এবং দুইটি পুরোনো মামলায় ১৭ মে গ্রেফতার দেখানো হয়। যদিও ঐ মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না বলে দাবী তার আইনজীবীদের।




0 comments:
Post a Comment