বিকল্প ব্যবস্থায় আমার দেশ প্রকাশ বন্ধ কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট| ঈদের পর আবার মাঠে নামছে হেফাজত | বিএনপি নেতা রফিকুল হত্যার রহস্য উন্মোচনের দাবি র‌্যাবের |

Home » » ‘এবার এলে কেয়ামত পর্যন্ত, নামায পড়েও নাস্তিক হওয়া দুর্ভাগ্যের’

‘এবার এলে কেয়ামত পর্যন্ত, নামায পড়েও নাস্তিক হওয়া দুর্ভাগ্যের’

ঢাকা: আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে তারা কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি জানি না, বিএনপি এখন কোন আশায় এই তত্ত্বাবধায়ক চায়। আবার যদি তত্ত্বাবধায়ক আসে- তারা তো আর ইলেকশন দেবে না।’

বৃহস্পতিবার গণভবনে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এবার তত্ত্বাবধায়ক এলে আর যাবে না। তখন তারা (বিএনপি) কী করবে? তখন তো কপাল চাপড়াইয়া কাঁদবে।’

তিনি বলেন, ‘গতবার যা পারে নাই এবার সেটাই করবে। তারা (তত্ত্বাবধায়ক) রোজ কেয়ামত পর্যন্ত থাকার চেষ্টা করবে।’

আওয়ামী লীগকে নাস্তিকের দল বলায় বিরোধী দলের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। ফজরের নামাজ পড়ে, কোরআন তেলওয়াত করে দিন শুরু করি। আমরা হয়ে যাই নাস্তিক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর যিনি ঘুমের থেকে ওঠেন দুপুর ১২টার পর, তারা হলো আস্তিক। ওই বাড়ি বদলের সময় আপনারা তো বোতল দেখেছেন। বোতল খায়, ঘুমায় ১২টা পর্যন্ত, তারা হলো আস্তিক, আমরা হলাম নাস্তিক! এটাই হলো আমাদের দুর্ভাগ্য। এর বেশি কিছু আর বলতে চাই না।’

১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির পক্ষে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা কেয়ারটেকার চেয়েছিলোম- এটা ঠিক। কেন চেয়েছিলাম? তখন বিএনপি কারচুপি, সন্ত্রাস, ভোট ডাকাতি আর ভোট চুরির নির্বাচন করেছিল।’

আর সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচেই প্রমাণ করল, আওয়ামী লীগ সরকার, কেবল আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলেই দেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়।’

‘তারপরও জনগণ যদি ভোট দিয়ে ‘স্বার্থপর, লুটেরা, খুনি, দুর্নীতিবাজ এবং জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের’ ক্ষমতায় আনতে চায়- তাহলে আওয়ামী লীগের কিছু বলার নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ বাংলার মানুষের ব্যাপার।’

মত বিনিময়ের শুরুতে ‘এক এগারো পরবর্তী’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদেরও সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘উপদেষ্টারা তত্ত্ব কথা শোনান। তারা তো ইলেকশন করতে পারেন নাই।… আসলো আর্মি ব্যাকড। আর্মি হেডেড হবার চেষ্টা করলে। আর ইলেকশন দেয় না।’

গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা (তত্ত্বাবধায়ক) যে ইলেকশন না দিয়েও থাকতে পারে সে বক্তব্য দিল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন আইনজীবী; যিনি এক সময় আমাদের সঙ্গে ছিলেন। ঘর ভেঙে চলে গেছেন।… তিনি আবার এলান করলেন, রোজ কেয়ামত পর্যন্ত এই সরকার থাকতে পারবে।’

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্ষে সরকারের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কেয়ারটেকার আন্দোলন কিছুই না। মুখে তো বলতে পারে না। আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানো।’

আওয়ামী লীগকে সরকার থেকে সরিয়ে বিরোধী দল যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর আশা করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বলেন, ‘আমাদের সরাতে পারলেই তারা তাদের বাঁচাতে পারবে। আবার তাদের ঘরে তুলে নিবে, তাদের হাতে পতাকা তুলে দেবে।’

সভায় পিরোজপুর জেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা জনগণকে জানাতে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সংগঠিত করতে আহবান জানান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, দলের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান ও সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

দলের উপ দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস সভা পরিচালনা করেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরকারি দল আওয়ামী লীগের মতবিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সভা আহ্বান করা হয়। ২০১১ সালের শেষ ভাগে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের কর্মকর্তা ও জাতীয় কমিটির সদস্য, দলের সংসদ সদস্য, পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক, দলের উপজেলা থানা, ইউনিয়ন ও পৌর সভার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, দলের উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সহযোগী ও সমমনা সংগঠনগুলোর জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

1 comments:

  1. Anonymous22:19

    Hasina is a dirty woman (mathari)who is talking like a mad woman. There is no tax on her talking. If she talks like that way, we are to calculate with a calculator or a mathematical machine when she will be completely mad one. She cannot utter nonsense words against the opposition leader of a party. She should realize the gravity of her position. With this attitude of her, she proves that she is a great "FALTY' .That means, she is valueless. She cannot pass any remark like that. She cannot utter those nonsense words against Khaleda. This proves that she has come from a very low mentality family where there is no personal value. Yes, we know that Hasina cannot stand against Dr,Wazed. Dr.Wazed by dint of merit and studies and research got one Ph.D. degree. Look Hasina has more than 3 dozen of Ph.Ds. which are purchased with huge donations from different universities of the world. She showed Dr.Wazed, saying him how many Ph.D did have . She had many Honrary doctorate certificates from many universities by donating huge amount of money to them.She could not stand against Dr.Wazed. She controlled Dr.Wazed like a servant. Dr.Wazed had a residence adjacent to the servant quarter. Hasina counted Dr.Wazed less a servant in the house. Later life,ie., his old age life was "Les Miserables" as shown in Victor Hugo' book- les Miserables".

    ReplyDelete

সদ্য তাজা নিউজ

সব সময়ের জনপ্রিয় তাজা নিউজ

Facebook Like

অতীতের তাজা সংবাদ

বিএনপিকে বিলবোর্ড প্রচারণার পরামর্শ হানিফের,আপনি কি এই বক্তব্য সমর্থন করেন