ঢাকা: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী: দলের নেতা খালেদা জিয়ার প্রতি
চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, নির্বাচন দিলে
আমিই জয়ী হব। আপনারা ( প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা) জোট করে আমার
বিরুদ্ধে নির্বাচন করুন। দেখবেন জনগণ লাঙ্গলকেই ভোট দিয়েছে।হত্যা, গুম আর
রক্তের বন্যায় দেশের গণতন্ত্র এখন কলঙ্কিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের আকাশে অনিশ্চয়তার ঘনঘটা শুরু হয়েছে। দেশের মানুষ
বিপর্যয়ের মধ্য বসবাস করছে। সবার মধ্যে এখন একটিই চাওয়া, তা হচ্ছে শান্তি।
শনিবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
সদস্য ড. ক্যাপ্টেন এম রেজাউল করীম চৌধুরির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির ব্ক্তব্যে এরশাদ এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুই দিন আগেও দেশের সবার মুখে মুখে সংলাপের কথা ছিল। কিন্তু
এখন আর সংলাপর কথা নেই। এখন নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু হয়েছে। বিএনপি বলছে
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। আর সরকার বলছে দলীয় সরকারের অধীনেই
নির্বাচন হবে। এ নিয়ে যখন দেশে অরাজকতা শুরু হয়েছে।
দেশের এ অরাজক পরিস্থিতিতে মানুষ জাতীয় পার্টিকে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন
এরশাদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বুঝতে পারছে জাতীয় পার্টিই তাদেরকে শান্তি
দিতে পারবে।
বঙ্গবন্ধুর সময়ের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, ঐ সময় মানুষ ভোট
দেওয়ার জন্য শেখ সাহেবের বাক্স খুঁজত, আসন্ন নির্বাচনে জনগণ এরশাদের বাক্স
খুঁজবে। এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয়
ব্যক্ত করেন এরশাদ।
জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসলে দেশকে আটটি প্রদেশে ভাগ করা হবে বলে উল্লেখ
করেন এরশাদ। উপজেলা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে এবং উপজেলা পর্যায়ে আদালত
স্থাপন নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এরশাদ বলেন, এখন কুরআন ও ইসলামের কথা বললে রাজাকার বলা হয়। কিন্তু জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসলে এ সমস্যা থাকবে না।
নিজের ৯ বছরের শাসন আমলের কথা উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, আমার সময়ের উন্নয়নের
কথা ভেবে আমি এখনও অবাক হই। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলো দেশের উন্নয়ন না করে
নিজেদের পকেট ভারি করার কাজে ব্যস্ত থেকেছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




There is a saying- A mad man can speak anything whatever he wants to say and a goat can eat anything what it sees.
ReplyDeleteNow, Ershad is speaking like that way. What he thinks to his upper chamber is spoken by him. He does not know what he speaks. However, he is a better candidate than Hasina or Khaleda. These women are fighting each other. One is proud of her late father and the other is proud of her husband. They do not to realize that both of them are gone. They should not their past father or husband. Let us say something on the present condition of the country. One is very tyrant and hypocrite. The other wants to bring her golden reign. She should not proud of her sons, both of them, culprit. They tortured the people of Bangladesh with the Hawa Bhaban. The people of Bangladesh do not like them. Hasina's family -sister, Rehena, son, Joy and daughter, Putoli, are sources of high corruption.