শনিবারের সমাবেশের জন্যে শাপলা চত্ত্বর অথবা নাইটঅ্যাঙ্গেল মোড়ের অনুমতি চেয়েছে ১৮ দল।
শুক্রবার বেলা ১২টায় বিএনপির নয়া পল্টন
কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা
পরিষদের সদস্য শামসুজ্জামান দুদু এ আহবান জানান।
তবে এখনো এ ব্যপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোন আশ্বাস দেয়া হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
দুদু বলেন, “সরকার যদি আমাদেরকে সহযোগিতা
না করে তবুও যেকোন মূল্যে আমাদের নিজস্ব উদ্যোগেই আজ সন্ধ্যা হতে
নাইঅ্যাঙ্গেল মোড়ে মঞ্চ তৈরির কাজ আরম্ভ করবো”।
সংবাদ সম্মেলনে দুদু আরো বলেন, গতকাল আমরা
সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের প্রতি সংলাপের আহবান জানিয়েছিলাম। তার
কিছুক্ষণের মধ্যেই সরকার তাতে সাড়া দিয়েছে।
আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ জানিয়েছেন, দু’একদিনের মধ্যেই তারা লিখিতভাবে সংলাপ প্রস্তাব পাঠাবেন।
এ সময় বিএনপি’র পক্ষ থেকে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে দুদু বলেন, “আমাদের ডাকে সাড়া দেয়ায়
জনগণের কাছে সরকারের গ্রহনযোগ্যতা বেড়েছে”।
তিনি আরো বলেন, “এক সময় এই সরকারই
তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে আন্দোলন করেছেন। সব দলই তত্ত্বাবধায়কের
প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জ্ঞাত আছেন”।
তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান যে,
“তত্ত্বাধায়ক ইস্যুতে আপনারা না বসতে চাইলেও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের
ইস্যুতে আসুন আমরা বসি”।
এসময় দুদু বলেন, “সরকার আমাদের সমাবেশ প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছে”।
ইতিমধ্যে সরকার কয়েকজন নেতা কর্মীকে
মুক্তি দিয়েছে কিন্তু তা আশানুরূপ নয়। তাই এ সমাবেশ এখন সময়ের দাবী হয়ে
উঠেছে। তাই যেকোন মূল্যে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবেই।
তিনি বলেন, “আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করতে
সব বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতে হবে। সব নেতাকর্মীকে মুক্তি দিতে হবে। স্বাভাবিক
অবস্থা ফিরিয়ে আনলেই আলোচনা সম্ভব”।
সংবাদ সম্মেলন শেষে সেখানে সমাবেশের ভলেন্টিয়ার নিযুক্ত করা হয়।
এ সময় স্বেচ্চাসেবকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়
সরকার এ সমাবেশ পন্ড করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে, যেকোন মূহুর্তের জন্যে
সবাইকে সম্পূর্ণ প্রস্ত্তুত থাকতে হবে।




0 comments:
Post a Comment