বিস্ফোরণ ঘটানো, ভাঙচুর ও হত্যাসংক্রান্ত মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে অতি গোপনে গতকাল ডিবি পুলিশ তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নিয়ে আসে। এ মামলায় তাকে প্রথমে ৯ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল। পরে তাকে আরো ছয় দিনের রিমান্ড দেয়ার আবেদন করলে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ মামলা ছাড়াও মতিঝিল থানা ভাঙচুর ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলায় জুনাইদ বাবুনগরীর এখনো ১৮ দিন রিমান্ড আছে। তবে মতিঝিল থানার হত্যা মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে জবানবন্দী দেয়ার আবেদনসহ ডিবি পুলিশ ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিএমএম মহানগর হাকিম মো: হারুন অর রশিদকে দায়িত্ব দেন। ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পেয়ে ডিবি পুলিশের উপস্থিতিতে জবানবন্দী নেন। জবানবন্দী শেষে এ মামলায় তাকে জেলে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীকে বেলা পৌনে ২টায় ডিবি পুলিশ ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনে যখন গাড়ি থেকে নামায়, তখন তাকে অত্যন্ত দুর্বল দেখাচ্ছিল। হাঁটতে তার খুবই অসুবিধা হচ্ছিল। তার পা ফুলে গেছে। পুলিশ তাকে ধরে ধরে আদালতে নিয়ে আসে। এ সময় কাউকে বুঝতে দেয়া হয়নি কাকে আদালতে আনা হচ্ছে। আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের উপস্থিতি কম ছিল। ফলে কোনো হর্ন বাজাতেও হয়নি পুলিশকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসআই শাহজাহান হত্যা মামলায় বাবুনগরীর কাছ থেকে জবানবন্দী নেয়া হয়েছে। গত ৫ মে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের সময় এসআই শাহজাহান আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান। ওই ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের হয়।
মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীকে আদালতে নেয়ার বিষয়টি খুবই গোপন রাখার কারণে তার পক্ষের একজন মাত্র আইনজীবী দেখা গেছে। তিনি অ্যাডভোকেট মো: রেজাউল করিম। পরে আসেন আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মেজবাহ। তবে তারা তার কোনো খোঁজ না পেয়ে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকেন।
এ ব্যাপারে আইনজীবী রেজাউল করিম বলেন, শোনা যাচ্ছে তাকে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্বীকারোক্তি আদায় করতে যাচ্ছে। এ স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় নয়। বরং তা হবে বল প্রয়োগের মাধ্যমে আদায়কৃত স্বীকারোক্তি। আইনজীবী আরো বলেন, মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীকে ৫ মে সমাবেশের ঘটনায় ২৬টি মামলা দায়ের করে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা। তাকে তিন মামলায় প্রথমে ৯ দিন, পরে ২২ দিন রিমান্ডে নেয়Ñ যা অমানবিক। একজন আলেম হিসেবে সম্মানবোধটুকু তাকে দেখানো হয়নি। এটা জাতির জন্য দুঃখজনক।
source "Newsevent"




The awamis are tyrant. They can go to any degree of torture in order to confess anything from any person who is their custody. This Babunagari was and has been tortured for many days so that the awamis may have anything from the person who is in custody. The same is the case case with babunari. They are ruthless and tyrant. By force they made him to confess what they want to get them from him. Let the babunagri be free and let him speak the truth.
ReplyDelete