বরিশাল: বরিশাল উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনায় অবরুদ্ধ আওয়ামী লীগদলীয় এমপি মনিরুল ইসলাম মনির ছেলে রিয়াজুল ইসলাম সুমন মঙ্গলবার বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর ৩ রাউন্ড গুলি করেছে। এমপি মনি ও তার ছেলে সুমনকে দুপুর থেকে উপজেলা পরিষদে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
উত্তেজিত জনতাকে শান্ত রাখতে উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান ও জাসদ নেতা আবুল কালাম আজাদ বাদল জানান, কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল ও সাধারণ সম্পাদক মজিদ সিকদার বাচ্চুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার পূর্বে বিষয়টি কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমপির নির্দেশে আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে জানান।
ওই সভায় আমি এমপিকে উজিরপুরের টিআর ও কাবিখার বরাদ্দকৃত চাল ত্রাণমন্ত্রীকে অনুরোধ করে বাতিল করেছেন কেন প্রশ্ন করি। এ নিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতন্ডা হলে আমি বাইরে চলে আসি।
এর একপর্যায়ে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের এমপি মনি ও তার ছেলে সুমন আমার ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনা উজিরপুরে প্রচার হয়ে গেলে এলাকাবাসী উপজেলা কার্যালয়ে এমপি মনি ও সুমনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি শান্ত করতে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশ সুপার মো. এহসানুল্লাহ।
ওই সময়ও তার উপস্থিতিতে বাবা-ছেলে আমার ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ সুপার উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে উজিরপুর ত্যাগ করেন তিনি।
এরপর মনি ও তার ছেলেকে অবরুদ্ধ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ সেখানে প্রতিবাদ সভা করে।
সভা শেষে একপর্যায়ে এমপির ছেলে সুমন বিক্ষুব্ধ জনতাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে এলাকাবাসী আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তাদের শান্ত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এমপি মনিকে যাতে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যেতে না পারে এ জন্য সড়কে গাছ ফেলেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবরুদ্ধ রয়েছে এমপি মনি ও তার ছেলে সুমন।
পুলিশ সুপার এহসানুল্লাহ বলেন, এমপির ছেলেটি বেয়াদব। তার জন্য সমস্যা তৈরি হয়েছে। সুমনের গুলিবর্ষণের ঘটনাটি তিনি স্বীকার করেন। এসপি আরো বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উত্তেজিত জনতাকে শান্ত রাখতে উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান ও জাসদ নেতা আবুল কালাম আজাদ বাদল জানান, কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল ও সাধারণ সম্পাদক মজিদ সিকদার বাচ্চুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার পূর্বে বিষয়টি কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমপির নির্দেশে আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে জানান।
ওই সভায় আমি এমপিকে উজিরপুরের টিআর ও কাবিখার বরাদ্দকৃত চাল ত্রাণমন্ত্রীকে অনুরোধ করে বাতিল করেছেন কেন প্রশ্ন করি। এ নিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতন্ডা হলে আমি বাইরে চলে আসি।
এর একপর্যায়ে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের এমপি মনি ও তার ছেলে সুমন আমার ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনা উজিরপুরে প্রচার হয়ে গেলে এলাকাবাসী উপজেলা কার্যালয়ে এমপি মনি ও সুমনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি শান্ত করতে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশ সুপার মো. এহসানুল্লাহ।
ওই সময়ও তার উপস্থিতিতে বাবা-ছেলে আমার ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ সুপার উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে উজিরপুর ত্যাগ করেন তিনি।
এরপর মনি ও তার ছেলেকে অবরুদ্ধ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ সেখানে প্রতিবাদ সভা করে।
সভা শেষে একপর্যায়ে এমপির ছেলে সুমন বিক্ষুব্ধ জনতাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে এলাকাবাসী আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তাদের শান্ত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এমপি মনিকে যাতে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যেতে না পারে এ জন্য সড়কে গাছ ফেলেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবরুদ্ধ রয়েছে এমপি মনি ও তার ছেলে সুমন।
পুলিশ সুপার এহসানুল্লাহ বলেন, এমপির ছেলেটি বেয়াদব। তার জন্য সমস্যা তৈরি হয়েছে। সুমনের গুলিবর্ষণের ঘটনাটি তিনি স্বীকার করেন। এসপি আরো বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




0 comments:
Post a Comment