এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবিরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আগামী ২৬ মের মধ্যে এ কে এম ইউসুফকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৫টি অভিযোগে গত ২২ এপ্রিল ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় প্রসিকিউশনের তদন্ত দল।
এরপর ৫ মে ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে প্রসিকিউশন।
এসব অভিযোগের মধ্যে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও রয়েছে।
তদন্ত সংস্থার সমন্বয়কারী হান্নান খান ২২ এপ্রিল সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা এ কে এম ইউসুফ প্রায় ৭০০ জনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ৩০০ বাড়ি ও ৪০০ দোকান লুটের পর অগ্নিসংযোগ এবং ২০০ হিন্দুকে ধর্মান্তর করার অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশে পাকিস্তানিদের গঠিত কথিত মালেক সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ইউসুফ এক সময় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে দলের নায়েবে আমির তিনি।
গত বছরের ২২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা।
উল্লেখ্য, ৮ মে জামায়াত নেতা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা দেয় প্রসিকিউশন। এর পাশাপাশি তাকে গ্রেফতারেরও আবেদন করা হয়।




0 comments:
Post a Comment