
নিজস্ব প্রতিবেদক
তাজা নিউজ
ঢাকা: বিএনপিকে হরতাল ও সংঘাতের পথ পরিহার করতে আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আহ্বান নাকচ করে দিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির
সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
সৈয়দ আশারফকে উদ্দেশ্য করে ড. মোশাররফ বলেন, “আমাদের সবক দেবেন না। আমরা সংঘাত করি না, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকারই সংঘাতের সৃষ্টি করেছে। তাই আপনারা সংঘাতের পথ পরিহার করুন।”
বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে আটক বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও একবছর ধরে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি একথা বলেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সৈয়দ আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, “হরতাল সারা দেশে মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না। আর হরতাল দিয়ে বিএনপি কোনো দাবি আদায় করতে পারবে বলে আমি মনে করি না। তাই বিএনপিকে হরতাল ও সংঘাতের পথ পরিহার করে আলোচনার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানাবো।”
ড. মোশাররফ বলেন, “সৈয়দ আশরাফ এখন আমাদের উপদেশে দিচ্ছেন। সংঘাত পরিহার করে সংলাপের পরামর্শ দিচ্ছেন।আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এজেন্ডা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান জানালে বিরোধী দল সংলাপের কথা চিন্তা করে দেখবে।আসলে সংলাপের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।”
সংলাপের আগে এর জন্য পরিবেশ তৈরি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জনগণকে বিভ্রান্ত করতে কথায় কথায় সংলাপের কথা বলবেন না। শীর্ষ নেতাদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো সংলাপে বসবো না।”
সংলাপের আগে বিএনপি ও ১৮দলের সকল শীর্ষ নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করার শর্ত জুড়ে দেন ড. মোশাররফ।
ইলিয়াস আলী নিখোঁজের এক বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গুমের রাজনীতি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। এটা হত্যা-হামলা, মামলার চেয়েও ভয়ঙ্ককর। এতে দেশবাসী আতঙ্কিত।” ইলিয়াস আলী এখনো সরকারের কাছে আছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
সৈয়দ আশারফকে উদ্দেশ্য করে ড. মোশাররফ বলেন, “আমাদের সবক দেবেন না। আমরা সংঘাত করি না, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকারই সংঘাতের সৃষ্টি করেছে। তাই আপনারা সংঘাতের পথ পরিহার করুন।”
বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে আটক বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তি ও একবছর ধরে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি একথা বলেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সৈয়দ আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, “হরতাল সারা দেশে মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না। আর হরতাল দিয়ে বিএনপি কোনো দাবি আদায় করতে পারবে বলে আমি মনে করি না। তাই বিএনপিকে হরতাল ও সংঘাতের পথ পরিহার করে আলোচনার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানাবো।”
ড. মোশাররফ বলেন, “সৈয়দ আশরাফ এখন আমাদের উপদেশে দিচ্ছেন। সংঘাত পরিহার করে সংলাপের পরামর্শ দিচ্ছেন।আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এজেন্ডা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান জানালে বিরোধী দল সংলাপের কথা চিন্তা করে দেখবে।আসলে সংলাপের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।”
সংলাপের আগে এর জন্য পরিবেশ তৈরি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জনগণকে বিভ্রান্ত করতে কথায় কথায় সংলাপের কথা বলবেন না। শীর্ষ নেতাদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো সংলাপে বসবো না।”
সংলাপের আগে বিএনপি ও ১৮দলের সকল শীর্ষ নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করার শর্ত জুড়ে দেন ড. মোশাররফ।
ইলিয়াস আলী নিখোঁজের এক বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গুমের রাজনীতি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। এটা হত্যা-হামলা, মামলার চেয়েও ভয়ঙ্ককর। এতে দেশবাসী আতঙ্কিত।” ইলিয়াস আলী এখনো সরকারের কাছে আছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।




0 comments:
Post a Comment