নিজস্ব প্রতিবেদক
তাজা নিউজ
ঢাকা:
অবশেষে সরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর জন্য ঢাকার মালয়েশিয়া দূতাবাসে ১০০ জনের ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার এ আবেদন জমা দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক বেগম শামছুন্নাহার।
বুধবার আরও ১০০ জনের ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রথম ধাপের ২০০ শ্রমিক প্রথমবার সরকারিভাবে মালয়েশিয়া পৌঁছাবে।
বিএমইটি মহাপরিচালক তাজা নিউজ বলেন, “ইতোমধ্যে কর্মীরা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকাও জমা দিয়েছেন। এখন টিকেট করাসহ সামান্য কিছু কাজ বাকি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহেই কর্মী যাওয়া শুরু করবে।”
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে মালয়েশিয়া জানিয়েছিল তারা ২০০ জনের ভিসার অনুমতিপত্র (ভিসা উইথ রেফারেন্স-ভিডব্লিউআর) পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ করেছে।
এর পর সে অনুযায়ী কর্মকর্তারা আবেদনপত্রসহ সবকিছু পূরণ করে রাখেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ভিডব্লিউআর আসার পর পরই ১০০ জনের ভিসার আবেদন দিয়ে আসা হয় ঢাকায় মালয়েশিয়ার দূতাবাসে। বুধবার তাদের ভিসা পাওয়া যাবে। এছাড়া বাকি একশজনের আবেদনও বুধবার জমা দেওয়া হবে।
তবে ভিসা পেলেও সেটি কোনো কর্মীকে হস্তান্তর করা হবে না। বরং কোন তারিখে নিয়োগকর্তারা কর্মীদের গ্রহণ করতে পারবেন, সে অনুযায়ী তারিখ ঠিক করে বিমানের টিকেট করা হবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান বলেন, “সবকিছুই চূড়ান্ত। আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহ থেকেই কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।”
উল্লেখ্য, নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের মার্চে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। দীর্ঘ কূটনৈতিক যোগাযোগের পর গত বছর মালয়েশিয়া আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে সম্মত হয়। এ বিষয়ে গত ২৬ নভেম্বর দুই দেশের মধ্যে সরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
পাঁচটি খাতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। ৩০ ডিসেম্বর মালয়েশিয়া প্রথম দফায় বনায়নখাতের জন্য ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাঠায়। এর পর সারাদেশে নিবন্ধন শুরু করে সরকার।
মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৬ জন নাম নিবন্ধন করা হয়। এদের মধ্যে থেকে ৩৬ হাজার ৩৮ জন প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে লটারিতে ১০ হাজার ৫৭৮ জনকে নির্বাচিত করা হয় যাদের প্রথম দফায় মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা।
নির্বাচিত এই সাড়ে ১০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্যপরীক্ষা, প্রশিক্ষণসহ সব কার্যক্রম ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হয়।
অবশেষে সরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর জন্য ঢাকার মালয়েশিয়া দূতাবাসে ১০০ জনের ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার এ আবেদন জমা দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক বেগম শামছুন্নাহার।
বুধবার আরও ১০০ জনের ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রথম ধাপের ২০০ শ্রমিক প্রথমবার সরকারিভাবে মালয়েশিয়া পৌঁছাবে।
বিএমইটি মহাপরিচালক তাজা নিউজ বলেন, “ইতোমধ্যে কর্মীরা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকাও জমা দিয়েছেন। এখন টিকেট করাসহ সামান্য কিছু কাজ বাকি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহেই কর্মী যাওয়া শুরু করবে।”
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে মালয়েশিয়া জানিয়েছিল তারা ২০০ জনের ভিসার অনুমতিপত্র (ভিসা উইথ রেফারেন্স-ভিডব্লিউআর) পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ করেছে।
এর পর সে অনুযায়ী কর্মকর্তারা আবেদনপত্রসহ সবকিছু পূরণ করে রাখেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ভিডব্লিউআর আসার পর পরই ১০০ জনের ভিসার আবেদন দিয়ে আসা হয় ঢাকায় মালয়েশিয়ার দূতাবাসে। বুধবার তাদের ভিসা পাওয়া যাবে। এছাড়া বাকি একশজনের আবেদনও বুধবার জমা দেওয়া হবে।
তবে ভিসা পেলেও সেটি কোনো কর্মীকে হস্তান্তর করা হবে না। বরং কোন তারিখে নিয়োগকর্তারা কর্মীদের গ্রহণ করতে পারবেন, সে অনুযায়ী তারিখ ঠিক করে বিমানের টিকেট করা হবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান বলেন, “সবকিছুই চূড়ান্ত। আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহ থেকেই কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।”
উল্লেখ্য, নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের মার্চে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। দীর্ঘ কূটনৈতিক যোগাযোগের পর গত বছর মালয়েশিয়া আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে সম্মত হয়। এ বিষয়ে গত ২৬ নভেম্বর দুই দেশের মধ্যে সরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
পাঁচটি খাতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। ৩০ ডিসেম্বর মালয়েশিয়া প্রথম দফায় বনায়নখাতের জন্য ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাঠায়। এর পর সারাদেশে নিবন্ধন শুরু করে সরকার।
মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৬ জন নাম নিবন্ধন করা হয়। এদের মধ্যে থেকে ৩৬ হাজার ৩৮ জন প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে লটারিতে ১০ হাজার ৫৭৮ জনকে নির্বাচিত করা হয় যাদের প্রথম দফায় মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা।
নির্বাচিত এই সাড়ে ১০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্যপরীক্ষা, প্রশিক্ষণসহ সব কার্যক্রম ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হয়।





0 comments:
Post a Comment