প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাতটার
দিকে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও মহানগর যুবদলের
আহ্বায়ক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি বিক্ষোভ
মিছিল বের হয়। মিছিলটি বাটার মোড় এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ
সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিএনপি কর্মীরা
পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
জবাবে পুলিশও পাল্টা রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও গ্রেনেড গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ করে দেয়। এতে ১০জন আহত হন।
পরে পুনরায় একত্রিত হয়ে আবার মিছিল করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয় তারা।
এ ছাড়া নিউমার্কেট এলাকায় হরতাল সমর্থকরা একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে।
সকাল সোয়া সাতটার দিকে নগরীর রাজারহাতা
এলাকায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করার
চেষ্টা চালায়। এ সময় ছাত্রদল কর্মীরা একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ
ধাওয়া দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এদিকে, শিবিরের ডাকা টানা ৬০ ঘণ্টার
হরতালের তৃতীয় ও শেষ দিনে বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে নগরীর হাদির মোড়
এলাকায় শিবির নেতাকর্মীরা হরতালের সমর্থনে একটি লাঠি মিছিল বের করে। পরে
রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা।
এ ছাড়া নগরীর আরো কয়েকটি এলাকায় টায়ার
জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা চালায় তারা। তবে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে
তারা রাস্তায় দাঁড়াতে পারেনি।
হরতালের কারণে রাজশাহী থেকে দূরপাল্লা ও
আন্তঃজেলা রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। নগরীর অধিকাংশ দোকানপাট ও ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান রয়েছে বন্ধ।
রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে সকালে কয়েকটি রুটের ট্রেন ছেড়ে গেছে। এ ছাড়া নগরীতে রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
হরতালকে কেন্দ্র করে যে কোনো অপ্রীতিকর
ঘটনা এড়াতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নগরীতে টহল দিচ্ছে পুলিশ ও র্যাব।




0 comments:
Post a Comment