রোববার বেনাপোল বন্দর এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের পর বিকেলে র্যাবের হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান কর্নেল জিয়াউল আহসান।
তিনি জানান, ঘরানা প্লাজা ধসে পড়ার পর রানা ধ্বংস্তূপের এক ফাঁকে দিয়ে বের হয়ে যান। লোকজন তাকে প্রথমে একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি দুই ঘণ্টা অচেতন ছিলেন। জ্ঞান ফেরার পর ওই দিনই ঢাকার মহম্মদপুরে শামীম নামে এক বন্ধুর বাসায় আত্মগোপন করেন তিনি। ঘটনার দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার মানিগঞ্জে আফজাল শরিফ নামে আরেক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেন রানা। তৃতীয় রাতে (শুক্রবার দিবাগত) মানিকগঞ্জ থেকে ফরিদপুরে গিযে অনীল কুমারের বাড়িতে আশ্রয় নেন। গতরাতে (শনিবার দিবাগত রাত) অনীল তাকে বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছে দেন। বেনাপোলের বলফিল্ড এলাকায় তিনি শাহ আলম মিঠুর ভাড়া বাসায় ওঠেন। মিঠু বেনাপোলেরই বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রশীদ। রানার সঙ্গে কোনো পাসপোর্ট ছিল না। মিঠু ও অনীলের সহযোগিতায় অবৈধভাবে ভারত পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের কর্নেল জিয়াউল আহসান জবাবে, মুরাদ জংয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে রানা তাদের কাছে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সাভার পৌর যুবলীগের যুগ্মআহ্বায়ক বলে দাবি করেছেন। এই আত্মগোপন এবং ভারত পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় মিঠু ও অনীলসহ পাঁচ জন জড়িত ছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু বাকিদের পরিচয় তারা জানতে পারেননি।




0 comments:
Post a Comment