নিহতরা হলেন- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শামীমা আক্তার (৪৫), শামীমার ছোট ভাই রানা (২৫), বাড়িতে থাকা ২ গৃহপরিচারিকা মনি (২০) ও রেখা (২২)।
ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা এ হত্যাকান্ডগুলো ঘটিয়েছে। রাতে বাড়িতে এ ৪ জনই ছিলেন।
পিরোজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ৩ দিন ধরে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সফরে রয়েছেন। রফিকুল ইসলাম উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
নিহত শামীমা আক্তার রফিকুলের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
সোনারগাঁও থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ঝাউছড়া গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ি। এ বাড়িতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শামীমা আক্তার ও দুই গৃহপরিচারিকা থাকতো।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতেই রফিকুলের শ্যালক রানা সিলেট থেকে এই বাড়িতে আসে। শনিবার সকালে ঘর থেকে কেউ বের হয়নি। পরে গাড়ির চালকও কয়েকবার শামীমার মোবাইলে ফোন দিলে তা কেউ রিসিভ করেনি। বিষয়টি গাড়ির চালক ও প্রহরী আবদুস সাত্তার রফিকুলের স্বজনদের জানায়।
তারা থানায় খবর দিলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দরজা খুলে ৪ জনের গলাকাট জবাই করা লাশ দেখতে পায়। তবে লাশগুলো এখনো উদ্ধার করা হয়নি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসার পর লাশ উদ্ধার করা হবে।
পুলিশ জানায়, সাত্তার শনিবার ভোর ৪টার দিকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পেয়েছিল। কিন্তু তখন সে বিষয়টি আমলে নেয়নি। তাকে আটক করা হয়েছে।




0 comments:
Post a Comment