মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিস্মিত! এই ট্রাইব্যুাল গঠন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিএনপি সব সময়ে বলে আসছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতে হবে স্বচ্চ ও আন্তর্জাতিক মানের।’
বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
এতে মির্জা ফখরুল ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল ও সুপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, ‘ঢাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে থেকে শুরু হবে।’
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। স্কাইপে কেলেঙ্কারি ও রায় ফাঁস হওয়াতে এই রায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এভাবে রায় দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে নজিরবিহীন।’
তিনি বলেন, ‘রায় ফাঁসের ঘটনা স্বয়ং আইনমন্ত্রী নিজে স্বীকার করে তা তদন্তের কথা বলেছেন আর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাক্ষী দিতে চাইলেও, পারেননি। অনেক হলফ করে বলেছেন, ২৯ মার্চ তিনি দেশ ত্যাগ করেছিলেন এবং ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে ছিলেন। অথচ তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তা ১৩ এপ্রিল থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত।’
তিনি বলেন, ‘সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুবিচার পাননি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে সরকার যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য শাম্মি আক্তার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, যুবদলের জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি আবদুস সালাম আযাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে চাইলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কিংবা জ্যেষ্ঠ নেতারা কেউই তার জবাব দিতে রাজি হননি। তারা শুধু বলেন, আজ কোনো প্রশ্ন নই।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিস্মিত! এই ট্রাইব্যুাল গঠন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিএনপি সব সময়ে বলে আসছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতে হবে স্বচ্চ ও আন্তর্জাতিক মানের।’
বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
এতে মির্জা ফখরুল ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল ও সুপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, ‘ঢাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে থেকে শুরু হবে।’
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। স্কাইপে কেলেঙ্কারি ও রায় ফাঁস হওয়াতে এই রায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এভাবে রায় দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে নজিরবিহীন।’
তিনি বলেন, ‘রায় ফাঁসের ঘটনা স্বয়ং আইনমন্ত্রী নিজে স্বীকার করে তা তদন্তের কথা বলেছেন আর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাক্ষী দিতে চাইলেও, পারেননি। অনেক হলফ করে বলেছেন, ২৯ মার্চ তিনি দেশ ত্যাগ করেছিলেন এবং ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে ছিলেন। অথচ তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তা ১৩ এপ্রিল থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত।’
তিনি বলেন, ‘সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুবিচার পাননি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে সরকার যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য শাম্মি আক্তার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, যুবদলের জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি আবদুস সালাম আযাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে চাইলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কিংবা জ্যেষ্ঠ নেতারা কেউই তার জবাব দিতে রাজি হননি। তারা শুধু বলেন, আজ কোনো প্রশ্ন নই।





0 comments:
Post a Comment