জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ বলে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকাল পৌনে ৩টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী এ আপিল খারিজ করে দেন।
এর আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে ইসির দেয়া নিবন্ধনকে অবৈধ ও আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন।
বৃহত্তর বেঞ্চের দুই বিচারপতি জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পক্ষে মত দেন। আরেকজন বিচারপতি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
এরপর রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করেন জামায়াতের আইনজীবীরা।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতকে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দেয়। ওই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। প্রাথমিক শুনানির পর ওই বছরের ২৫ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয় গত ১২ জুন।
এর আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে ইসির দেয়া নিবন্ধনকে অবৈধ ও আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন।
বৃহত্তর বেঞ্চের দুই বিচারপতি জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পক্ষে মত দেন। আরেকজন বিচারপতি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
এরপর রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করেন জামায়াতের আইনজীবীরা।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতকে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দেয়। ওই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। প্রাথমিক শুনানির পর ওই বছরের ২৫ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয় গত ১২ জুন।





0 comments:
Post a Comment