
ঢাকা: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধের
মামলায় দেয়া সাজার বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের
স্বার্থে আদালত তাদের সুবিধামতো সময় নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে আইনের বেধে
দেয়া ৬০ দিন কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “আইনের বেঁধে দেয়া সময় নির্দেশনামূলক, বাধ্যতামূলক নয়।”
আমেরিকান সরকারের সহযোগিতায় শাস্তি হ্রাসের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ
প্রদানের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ বিচারবিভাগ প্রসাশন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের (জেএটিআই) যৌথ সমহযোগিতায় তিনদিনের এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। এটাই হল আইনের
শাসন নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে
সাজাপ্রাপ্ত যারা আপিল করেছে তাদের বিচার সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে
বিশ্লেষণ করে শুনানি করছেন। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বর্ধিত সময়
লাগলেও বিচার বিভাগ সে সময় নিতে পারেন। এটি বিচার বিভাগের সহজাত ক্ষমতা।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো মামলার চার্জ গঠন থেকে বিচার প্রক্রিয়া শেষ হওয়া
একটি লম্বা প্রক্রিয়া। যার কারণে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকে। বর্তমান
সরকার এসব মামলার নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার নিষ্পত্তিকে গুরুত্ব
দিচ্ছে।”
আমেরিকার বিচার মন্ত্রণালযের দুইজন আইনজীবী ও একজন ঊর্ধ্বতন বিচারক এবং
বাংলাদেশের ২৫ জন বিচারক, ১০জন আইনজীবী ও পাঁচজন বিবাদী আইনজীবীকে এই
প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জন ড্যানিলোভিচ।
বাংলাদেশে আইনের শাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “শাস্তি হ্রাসের
আবেদন পদ্ধতি বাংলাদেশের নাগরিকদের ও অপরাধের শিকারদের পক্ষে ন্যায় বিচার
অর্জনের যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।”
তিনি বলেন, “বিচার বিলম্বিত হওয়া মানে ন্যায় বিচার না পাওয়া।’




0 comments:
Post a Comment