নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
রাজশাহী: রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করেছে জেলা হেফাজতে ইসলাম।
একই সঙ্গে সাবেক মেয়র ও সরকার সমর্থক প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনকে ‘ইসলামের শত্রু ‘ আখ্যা দিয়ে তার ধ্বংস কামনা করেছেন হেফাজত নেতারা।
বুধবার নগরীর একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে রাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত ১৮ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জোটের শরিকরাসহ হেফাজতের নেতারা অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের রাজশাহী জেলা সভাপতি মাওলানা হাফেজ আব্দুস সামাদ নির্বাচনে বুলবুলের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাবেক মেয়র লিটন ইসলামের শত্রু, আলেম ওলামাদের টিটকারি করতেন। তিনি আমাদের ইসলামী জালসা করতে দেননি।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুর দিকে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুস সামাদ। এতে তিনি লিটনের পরাজয় ও বুলবুলের বিজয় কামনা করেন।
মোনাজাতে সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তিনি আলেম ওলামাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছেন। ইয়া আল্লাহ! ইসলামের এই শত্রুকে তুমি হালাক (ধ্বংস) করে দাও। তারা গুলি করে অনেক মানুষ হত্যা করেছে। সেই শহীদদের তুমি জান্নাত নসিব কর। আর ইসলামের পক্ষের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এই সিটি নির্বাচনে বিজয়ী করে দাও।’
সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে ‘বাংলাদেশের স্বাধীরতা-সার্বভৌমত্ব ও ইসলাম হেফাজতে ঐক্যবদ্ধ হোন’ নামে একটি পুস্তিকা বিতরণ করেন হেফাজতের কর্মীরা।
মাওলানা হাফেজ আব্দুস সামাদ আরো বলেন, ‘ঈমান আকিদার রক্ষার জন্যই বুলবুলের পক্ষে তাদের অবস্থান থাকবে।’
এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে মেয়রপ্রার্থী বুলবুলের পক্ষে ১৮ দল একযোগে কাজ করবে বলে জানান রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতির নাদিম মোস্তফা।
তিনি বলেন, গত সাড়ে ৪ বছরে পাখির মতো গুলি করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের একের পর এক হত্যা করে অলি-আউলিয়ার রাজশাহী নগরীর পবিত্র মাটি অপবিত্র করেছেন সাবেক মেয়র লিটন।
নাদিম মোস্তফা বলেন, লিটন রাজশাহীর সবেচেয়ে দামী মাটিগুলো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে দিয়েছেন। দলীয় লোকদের নিয়ে লুটপাট করেছেন। ১৮ দল ক্ষমতায় এলে তার লুটপাট ও সরকারি সম্পত্তি বাণিজ্যের বিচার করা হবে।
অতীতের দ্বন্দ্ব ভুলে নির্বাচনে মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করারও ঘোষণা দেন নাদিম মোস্তফা।
সিটি নির্বাচনে ভোট ছিনতাইয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি সেনা মোতায়েনেরও দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- সিটি নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা, সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাইনুল আহসান পান্না, রাজশাহী বার সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক একেএম শাহাদাত হোসেন মণ্ডল, রাজশাহী জেলা পশ্চিম জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল খালেক প্রমুখ।
আরটিএনএন
রাজশাহী: রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করেছে জেলা হেফাজতে ইসলাম।
একই সঙ্গে সাবেক মেয়র ও সরকার সমর্থক প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনকে ‘ইসলামের শত্রু ‘ আখ্যা দিয়ে তার ধ্বংস কামনা করেছেন হেফাজত নেতারা।
বুধবার নগরীর একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে রাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত ১৮ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জোটের শরিকরাসহ হেফাজতের নেতারা অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের রাজশাহী জেলা সভাপতি মাওলানা হাফেজ আব্দুস সামাদ নির্বাচনে বুলবুলের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাবেক মেয়র লিটন ইসলামের শত্রু, আলেম ওলামাদের টিটকারি করতেন। তিনি আমাদের ইসলামী জালসা করতে দেননি।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুর দিকে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুস সামাদ। এতে তিনি লিটনের পরাজয় ও বুলবুলের বিজয় কামনা করেন।
মোনাজাতে সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তিনি আলেম ওলামাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছেন। ইয়া আল্লাহ! ইসলামের এই শত্রুকে তুমি হালাক (ধ্বংস) করে দাও। তারা গুলি করে অনেক মানুষ হত্যা করেছে। সেই শহীদদের তুমি জান্নাত নসিব কর। আর ইসলামের পক্ষের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এই সিটি নির্বাচনে বিজয়ী করে দাও।’
সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে ‘বাংলাদেশের স্বাধীরতা-সার্বভৌমত্ব ও ইসলাম হেফাজতে ঐক্যবদ্ধ হোন’ নামে একটি পুস্তিকা বিতরণ করেন হেফাজতের কর্মীরা।
মাওলানা হাফেজ আব্দুস সামাদ আরো বলেন, ‘ঈমান আকিদার রক্ষার জন্যই বুলবুলের পক্ষে তাদের অবস্থান থাকবে।’
এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে মেয়রপ্রার্থী বুলবুলের পক্ষে ১৮ দল একযোগে কাজ করবে বলে জানান রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতির নাদিম মোস্তফা।
তিনি বলেন, গত সাড়ে ৪ বছরে পাখির মতো গুলি করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের একের পর এক হত্যা করে অলি-আউলিয়ার রাজশাহী নগরীর পবিত্র মাটি অপবিত্র করেছেন সাবেক মেয়র লিটন।
নাদিম মোস্তফা বলেন, লিটন রাজশাহীর সবেচেয়ে দামী মাটিগুলো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে দিয়েছেন। দলীয় লোকদের নিয়ে লুটপাট করেছেন। ১৮ দল ক্ষমতায় এলে তার লুটপাট ও সরকারি সম্পত্তি বাণিজ্যের বিচার করা হবে।
অতীতের দ্বন্দ্ব ভুলে নির্বাচনে মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করারও ঘোষণা দেন নাদিম মোস্তফা।
সিটি নির্বাচনে ভোট ছিনতাইয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি সেনা মোতায়েনেরও দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- সিটি নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা, সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাইনুল আহসান পান্না, রাজশাহী বার সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক একেএম শাহাদাত হোসেন মণ্ডল, রাজশাহী জেলা পশ্চিম জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল খালেক প্রমুখ।




0 comments:
Post a Comment