স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা: ভারত
বোধহয় খুব গভীর ষড়যন্ত্র নিয়েই এগুচ্ছে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের
বিপক্ষে। মিরাক্কেলে বাংলাদেশী ক্রিকেট নিয়ে হেয় করার পর ক্ষমা চাইলেও
আবার বিভিন্ন মিডিয়া ব্যাক্তিত্বকে এ নিয়ে হুমকি দিতেও ছাড়েনি তারা।
এবার তারা আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কেলেংকারিতে জড়াতে চাচ্ছে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের। এখনো নাম উল্লেখ না করলেও দাবি করা হচ্ছে বাংলাদেশের এক শীর্ষ ক্রিকেটার এ কেলেংকারিতে জড়িত। এবারের আইপিএলে বাংলাদেশী কোন ক্রিকেটার খেলেনি।
সিএএন-আইবিন’কে পুলিশের এক সূত্র জানিয়েছে আইপিএলের জুয়ারিদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্রিকেটারের।
অথচ তাদের কেলেংকারির সময় বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়ে সফরে। সেখানে ব্যস্ত সময় কাটছে সিরিজ নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা সিরিজ চলাকালে সামাজিক সাইট ব্যবহার করেন না। এমন কি তারা মোবাইলেও তেমন কথা বলেন না। স্বয়ং বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম তার বাবার সাথেও কথা বলেন নি সিরিজ চলাকালীন।
বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিগত কোন রেকর্ড নাই এ ধরণের অনৈতিক কর্মকান্ডে। ২০১০ সালে একটি টেস্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শুধু ইংল্যান্ড দল গা-ছাড়া ভাব নিয়ে বোলিং করেছিল এ নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ সেই বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে চলছে ষড়যন্ত্র!
বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা পেসার নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি বিন মর্তুজাকে একবার জুয়াডিরা বড় অংকের প্রস্তাব দিয়েছিল। মাশরাফি শিশুর মতো তা বোর্ডকে জানিয়ে দেয়।
বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে বলতে গেলে অপপ্রচারই চালাচ্ছে ভারত। তা আসলে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সই হয়তো তাদের ক্ষেপিয়ে তুলছে।
এবার তারা আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কেলেংকারিতে জড়াতে চাচ্ছে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের। এখনো নাম উল্লেখ না করলেও দাবি করা হচ্ছে বাংলাদেশের এক শীর্ষ ক্রিকেটার এ কেলেংকারিতে জড়িত। এবারের আইপিএলে বাংলাদেশী কোন ক্রিকেটার খেলেনি।
সিএএন-আইবিন’কে পুলিশের এক সূত্র জানিয়েছে আইপিএলের জুয়ারিদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্রিকেটারের।
অথচ তাদের কেলেংকারির সময় বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়ে সফরে। সেখানে ব্যস্ত সময় কাটছে সিরিজ নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা সিরিজ চলাকালে সামাজিক সাইট ব্যবহার করেন না। এমন কি তারা মোবাইলেও তেমন কথা বলেন না। স্বয়ং বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম তার বাবার সাথেও কথা বলেন নি সিরিজ চলাকালীন।
বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিগত কোন রেকর্ড নাই এ ধরণের অনৈতিক কর্মকান্ডে। ২০১০ সালে একটি টেস্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শুধু ইংল্যান্ড দল গা-ছাড়া ভাব নিয়ে বোলিং করেছিল এ নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ সেই বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে চলছে ষড়যন্ত্র!
বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা পেসার নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি বিন মর্তুজাকে একবার জুয়াডিরা বড় অংকের প্রস্তাব দিয়েছিল। মাশরাফি শিশুর মতো তা বোর্ডকে জানিয়ে দেয়।
বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে বলতে গেলে অপপ্রচারই চালাচ্ছে ভারত। তা আসলে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সই হয়তো তাদের ক্ষেপিয়ে তুলছে।





0 comments:
Post a Comment