: পাকিস্তানের জাতীয় প্রাদশিক পরিষদ
নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে আসতে শুরু করেছে
বিভিন্ন আসনের প্রাথমিক ফলাফল।
এদিকে, অ্যাবোটাবাদ ও সোয়াত এলাকার আটটি আসনের প্রাথমিক অবস্থায়
ইমরানের দল পাঁচটিতে এবং নওয়াজের দল দু'টিতে এগিয়ে রয়েছে। একটি আসনে
এগিয়ে আছে মাওলানা ফজলুর রহমানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।
দেশটির ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
তাদের অনলাইন সংস্করণে লাইভ আপডেট খবর দিচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে- এ পর্যন্ত
শতকরা ২০ ভাগের বেশি ভোট গণনা হয়েছে এমন আটটি আসনের মধ্যে ছয়টিতে নওয়াজ
শরীফের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ এগিয়ে রয়েছে। একটিতে ইমরান খানের
তেহরিক-ইনসাফ এবং বাকি একটিতে সদ্য বিদায়ী শাসকদল পাকিস্তান পিপলস পার্টি
বা পিপিপি এগিয়ে রয়েছে। তবে, মুসলিম লীগ ও তেহরিক-ই ইনসাফ দলের মধ্যে মূল
লড়াই হবে বলে অনেকে আভাস দিয়েছেন।
এর আগে, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে
ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। তবে গোলযোগের কারণে কোথাও কোথাও
তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়। আগামীকালের (রোববার) আগে
নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া যাবে না।
এবারের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের ৩৪২টি
আসনে প্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য আট কোটি ৬০ লাখ ভোটারের ভোট দেয়ার
কথা। তবে, ভোট পড়েছে শতকরা ৫০ ভাগের কেছিু বেশি। তারপরও এটি পাকিস্তানের
ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটাধিকার প্রয়োগের ঘটনা। দেশের ৭০ হাজার কেন্দ্রে
ভোটগ্রহণ করা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যসহ ছয়
লাখ নিরাপত্তা কর্মী।
অন্যদিকে, নির্বাচনী সহিংসতায় পাকিস্তানে
মারা গেছে কমপক্ষে ১৮ জন। এর মধ্যে করাচিতে নিহত হয়েছে ১২ জন। সেখানে
কারচুপির অভিযোগ এনে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামি নির্বাচন বয়কট করেছে।
একটি আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে মুসলিম লীগ, তেহরিক-ই
ইনসাফ ও পিপিপি’র মধ্যেই বেশিরভাগ আসন ভাগাভাগি হবে এবং তীব্র
প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে কোনো দলই নিরঙ্কুশ
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে ঝুলন্ত সংসদ গঠিত হতে পারে যার স্থায়িত্ব হবে
কম।#




0 comments:
Post a Comment