
ঢাকা: আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের শরীরে
ইলেকট্রিক শক দিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশিষ্ট
কলামিস্ট ও কবি ফরহাদ মজহার।
শুক্রবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, “আমি মাহমুদুর রহমানের বন্ধু ও বর্তমানের তার পরিবারের অভিভাবক হিসেবে তার স্ত্রী ও মাকে সঙ্গে নিয়ে তাকে হাসপাতালে দেখতে যাই। সেখানে গিয়ে আমি মাহমুদুর রহমানকে পর্যবেক্ষণ করে তার হাতে এবং পায়ে কালো ক্ষত চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। পরে আমি অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি এগুলো ইলেকট্রিক শকের চিহ্ন।”
তিনি বলেন, “আপনারা জানেন, মাহমুদুর রহমান গত পাঁচদিন ধরে তিনটি দাবিতে অনশন করছেন। পুলিশি নির্যাতন এবং অনশনের ফলে তার জীবন এখন বিপন্ন। আমরা গিয়েছিলাম তার অনশন ভাঙানোর জন্য। কিন্তু তিনি এতোটাই শক্ত মনের মানুষ যে, আমাদের বলেছেন, ‘আমি নিজের জন্য অনশন করছি না। আমি আমার মা, আমার পত্রিকার গ্রেফতার হওয়া কর্মচারী ও বন্ধ প্রেস খুলে দেয়ার দাবিতে অনশন করছি।’ তিনি আমাকে বলেছেন, ‘সরকার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই প্রত্যাহার করা সম্ভব। সরকার নৈতিকভাবে ভ্রষ্ট হয়ে কাপুরুষের মতো আমার ও আমার পরিবারের ওপর নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে’।”
ফরহাদ মজহার বলেন, “যেসব পত্রিকা মাহমুদুর রহমানের বিষোদগার করে খবর ছাপছে, তাদের নীতিনৈতিকতা নিয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে। তারা আসলেই কোনো সাংবাদিক কি না এটা সন্দেহ।”
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “সার্চ ওয়ারেন্টের মাধ্যমে আমার দেশে পত্রিকার ছাপাখানা বন্ধ করে দিলে আমরা আইন মেনে জেলা প্রশাসককে জানিয়ে বিকল্প প্রেস থেকে পত্রিকা বের করছিলাম। কিন্তু সরকার সেখানেও হানা দিয়ে আমাদের কর্মচারীদের গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এবং আমার দেশ পত্রিকার চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের মা মাহমুদা বেগমের নামে মামলা দেয়, যা কোনোভাবেই আইনসম্মত নয়।”
তিনি বলেন, “সরকারের বর্বর নির্যাতনে মাহমুদুর রহমান ছয় ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে যদি তার ওপর নির্যাতন বন্ধ না হয় এবং তিনি অনশন না ভাঙেন, তাহলে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আর সেটির সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।”
পত্রিকা বের না হওয়া প্রসঙ্গে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী বলেন, “আমার দেশ পত্রিকার ছাপাখানা বন্ধ করে দেয়ার পর আইন অনুযায়ী আমরা জেলা প্রশাসককে জানিয়ে বিকল্প প্রেস থেকে পত্রিকা ছাপানোর ব্যবস্থা করি। কিন্তু পুলিশ সেখান থেকেও আমাদের পত্রিকার কিছু কপি জব্দ করে এবং আমাদের ১৯ কর্মচারীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এরপর সংবাদমাধ্যমে তথ্যমন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছেন তা সঠিক নয়। আমরা যখন তথ্যমন্ত্রীর কাছে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছি, তখন তিনি আমাদের কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি স্বীকার করেছেন, তাকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এরপর তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পত্রিকা বের করার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু গত তিনদিনে তিনি তার কথা রাখতে পারেননি। এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তিনি আমাদের সময় দিচ্ছেন না।”
শুক্রবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, “আমি মাহমুদুর রহমানের বন্ধু ও বর্তমানের তার পরিবারের অভিভাবক হিসেবে তার স্ত্রী ও মাকে সঙ্গে নিয়ে তাকে হাসপাতালে দেখতে যাই। সেখানে গিয়ে আমি মাহমুদুর রহমানকে পর্যবেক্ষণ করে তার হাতে এবং পায়ে কালো ক্ষত চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। পরে আমি অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি এগুলো ইলেকট্রিক শকের চিহ্ন।”
তিনি বলেন, “আপনারা জানেন, মাহমুদুর রহমান গত পাঁচদিন ধরে তিনটি দাবিতে অনশন করছেন। পুলিশি নির্যাতন এবং অনশনের ফলে তার জীবন এখন বিপন্ন। আমরা গিয়েছিলাম তার অনশন ভাঙানোর জন্য। কিন্তু তিনি এতোটাই শক্ত মনের মানুষ যে, আমাদের বলেছেন, ‘আমি নিজের জন্য অনশন করছি না। আমি আমার মা, আমার পত্রিকার গ্রেফতার হওয়া কর্মচারী ও বন্ধ প্রেস খুলে দেয়ার দাবিতে অনশন করছি।’ তিনি আমাকে বলেছেন, ‘সরকার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই প্রত্যাহার করা সম্ভব। সরকার নৈতিকভাবে ভ্রষ্ট হয়ে কাপুরুষের মতো আমার ও আমার পরিবারের ওপর নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে’।”
ফরহাদ মজহার বলেন, “যেসব পত্রিকা মাহমুদুর রহমানের বিষোদগার করে খবর ছাপছে, তাদের নীতিনৈতিকতা নিয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে। তারা আসলেই কোনো সাংবাদিক কি না এটা সন্দেহ।”
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “সার্চ ওয়ারেন্টের মাধ্যমে আমার দেশে পত্রিকার ছাপাখানা বন্ধ করে দিলে আমরা আইন মেনে জেলা প্রশাসককে জানিয়ে বিকল্প প্রেস থেকে পত্রিকা বের করছিলাম। কিন্তু সরকার সেখানেও হানা দিয়ে আমাদের কর্মচারীদের গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এবং আমার দেশ পত্রিকার চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের মা মাহমুদা বেগমের নামে মামলা দেয়, যা কোনোভাবেই আইনসম্মত নয়।”
তিনি বলেন, “সরকারের বর্বর নির্যাতনে মাহমুদুর রহমান ছয় ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে যদি তার ওপর নির্যাতন বন্ধ না হয় এবং তিনি অনশন না ভাঙেন, তাহলে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আর সেটির সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।”
পত্রিকা বের না হওয়া প্রসঙ্গে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী বলেন, “আমার দেশ পত্রিকার ছাপাখানা বন্ধ করে দেয়ার পর আইন অনুযায়ী আমরা জেলা প্রশাসককে জানিয়ে বিকল্প প্রেস থেকে পত্রিকা ছাপানোর ব্যবস্থা করি। কিন্তু পুলিশ সেখান থেকেও আমাদের পত্রিকার কিছু কপি জব্দ করে এবং আমাদের ১৯ কর্মচারীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এরপর সংবাদমাধ্যমে তথ্যমন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছেন তা সঠিক নয়। আমরা যখন তথ্যমন্ত্রীর কাছে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছি, তখন তিনি আমাদের কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি স্বীকার করেছেন, তাকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এরপর তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পত্রিকা বের করার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু গত তিনদিনে তিনি তার কথা রাখতে পারেননি। এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তিনি আমাদের সময় দিচ্ছেন না।”




Mahamudur Rahaman should die because he published false news about Holy Kabba Sharif.This is gods punishment for his sin
ReplyDelete