ঢাকা
তাজা নিউজ : জীবনের নিরাত্তার জন্য কারাগারের পরিবর্তে বাইরের
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমানকে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক
অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ফরহাদ মজহার।
বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।
ফরহাদ মজহার বলেন, ‘রিমান্ডে গুরুতর অসুস্থ আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
মাহমুদুর রহমানকে আজ আদালতে হাজির করা হলে আইনজীবীদের আবেদনের
পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং জেল কোড অনুযায়ী ডিভিশন ও
চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মাহমুদুর রহমান তার জীবনের নিরাপত্তার
কথা চিন্তা করে কারা চিকিৎসকদের পরিবর্তে বাইরের হাসপাতালের চিকিৎসা সুবিধা
নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য বাইরের
হাসপাতালে চিকিৎসা করার সুযোগ দেওয়া হোক।’
লিখিত বক্তব্যে ফরহাদ মজহার আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিধি বিধান থাকা
সত্ত্বেও পুলিশের হেফাজতে একজন অসহায় নাগরিকের নির্যাতন মানবিক মর্যাদার
চরম লঙ্ঘন। আমি দেশি-বিদেশি সব মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের কাছে এ সরকারের
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘সাহসী সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তিনটি দাবিতে গত ১৫ এপ্রিল
সোমবার থেকে অনশন করছেন। তিন দিনে তিনি পানি পর্যন্ত পান করেননি। একদিকে
রিমান্ডে নির্যাতন, অন্যদিকে না খেয়ে মাহমুদুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যে
তিন দাবিতে তিনি অনশন করছেন সেগুলো হলো-আমার দেশ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তার মা মাহমুদা বেগম ও সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা
মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক মামলা প্রত্যাহার। আমার দেশের ছাপাখানা খুলে দেওয়া
এবং সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করে পত্রিকা প্রকাশের সুযোগ দেওয়া।’
আমার দেশের বাইন্ডিং ও প্রেসের গ্রেফতার ১৯ কর্মচারীকে মুক্তি দিয়ে সব অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে।
ফরহাদ মজহার বলেন, ‘এখানে লক্ষণীয় যে মাহমুদুর রহমানের তিন দফার মধ্যে
তিনি তার নিজের মুক্তি দাবি করেননি। এছাড়া মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ইসলামে
অনশনের কোনো নিয়ম না থাকলেও রাষ্ট্রের নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
হিসেবে অনশন গণতান্ত্রিক লড়াই সংগ্রামের একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। তিনি
(মাহমুদুর রহমান) জানিয়েছেন জুলুমের বিরুদ্ধে নৈতিক, আদর্শিক ও যার যার
ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গা থেকে লড়াই সংগ্রাম চালানো ন্যায়সঙ্গত। যেহেতু আমি
বন্দি এবং রিমান্ডে নির্যাতনে রয়েছি, সেহেতু আমার প্রতিবাদের সর্বোচ্চ
শক্তি হিসেবে অনশন করছি।’
এ সময় বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, ‘যারা প্রেসের
দিনমজুর, দিন আনে দিন খায়, পত্রিকা ভাজ করে তাদের কী অন্যায়। তাদের কেন
গ্রেফতার করা হয়েছে?’
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কোন আইনে একটি পত্রিকার ছাপাখানায় তালা লাগানো
হয়েছে। প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী পত্রিকার ছাপাখানায় সমস্যা
হলে ৩০ দিন অস্থায়ীভাবে অন্য ছাপা খানায় পত্রিকা ছাপানো যায়। এজন্য ৭২
ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে জানানোর বিধান মানা হয়েছে। কিন্তু তথ্যমন্ত্রী
বলেছেন বি ফর্ম পূরণ করতে। আমার দেশ কর্তৃপক্ষ বি ফর্ম কেন পূরণ করবেন।
বি ফর্ম পূরণ করার অর্থ হলো প্রেস পরিত্যক্ত ঘোষণা করা। এখানে প্রেস
পরিত্যক্ত ঘোষণার কোনো কারণ ঘটেনি। বরং পুলিশই প্রেসে তল্লাশির নামে প্রেসে
তালা লাগিয়ে দিয়েছে।’
Which " Nagoriks " elected you this committee? I am also a " Nagorik" you did not send any ballot paper to me, so I object very strongly to make any demand on my behalf.Mohamed Rahman.
ReplyDeleteতাহলে নাগরিক প্রতিনিধি কি ভাবে গঠন করল আওয়ামি বুদ্বিজীবিরা Mohamed Rahman
ReplyDeleteমাহমুদুর রহমানের মত সাংবাদিককে দরে সরকার ভুল করল
ReplyDeleteমাহমুদুর রহমান জাতীর বীর =; =;
ReplyDeleteমাহমুদুর রহমান কে ধরে সরকার ভাল করছে
ReplyDelete