
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, “সরকার জানে
সংবিধান অনুযায়ী তাদের ক্ষমতা অক্টোবরে শেষ হয়ে গেলে তারা কোথায় যাবে।
১৯৭৫ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ যেভাবে গর্তে ঢুকে
গিয়েছিল, সেই গর্তে আবারো ঢুকে যাবে।”
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সবুজবাগ থানা বিএনপি ও অঙ্গ
সংগঠন আয়োজিত মির্জা আব্বাসসহ বিএনপি নেতাদের মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদ
সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সবুজবাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক
শামসুল হুদা।
১৮ দলের নেতাদের মুক্তির দাবিতে মঙ্গল ও বুধবারের হরতালে নিজ নিজ এলাকায় শক্ত অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান হান্নান শাহ।
তিনি বলেন, “যদি প্রত্যেক এলাকায় শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, তাহলে সরকার
নেতাদের মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।” সরকার বিচার বিভাগের কাঁধে বন্দুক রেখে
দেশ পরিচালনা করছে বলেও অভিযোগ করেন হান্নান শাহ।
বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক
ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সংসদ সদস্য নিলো্ফার
চৌধুরী মনি, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, হেলেন জেরীন খান,
মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
তিনি বলেন, “এক’শ হোন্ডা ও গুন্ডা নিয়ে আওয়ামী লীগ ফটিকছড়ি গিয়েছিল।
সেখানে জনগণ বটি দিয়ে প্রতিরোধ করেছে। ওই এলাকার মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে এই
সরকার কথায় শুনে না, তারা ঝাড়ু ও বটিতে শোনে।”
সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে হান্নান শাহ বলেন, “রোববার ছাত্রলীগ ছয় ঘণ্টা
বিনা কারণে বেগম রোকেয়া সরণি অবরোধ করল, গাড়ি ভাঙচুর করল কই তাদের তো
গ্রেফতার করা হলো না। অথচ বিএনপি নেতাদের বিনা কারণে বিনা দোষে কারারুদ্ধ
করে রেখেছেন।”
সরকার ভীত হয়ে জনগণের ওপর মামলা হামলা করছে উল্লেখ করে বলেন, “বিগত তিন
মাসে সরকার দশ লাখ লোকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। বিরোধী দলের ৫০ হাজার লোককে
জেলে রাখা হয়েছে। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় সরকার ভীত হয়ে নেতাকর্মীদের বন্দি
করতে শুরু করেছে।”




0 comments:
Post a Comment